31 C
Bangladesh
Tuesday, August 16, 2022
Edu Infoডোপ টেস্ট কি ও কিভাবে ডোপ টেস্ট করব?

ডোপ টেস্ট কি ও কিভাবে ডোপ টেস্ট করব?

- Advertisement -
- Advertisement -

যারা নিয়মিত মাদক বা অ্যালকোহল গ্রহণ করেন তাদের শরীরে ওই নেশাজাতীয় পদার্থের আছে কি না তা যাচাইয়ের জন্য যে মেডিকেল পরীক্ষা করা হয় তাকেই ডোপ টেস্ট (dope test) বলা হয় । ডোপ টেস্ট কি ও কিভাবে ডোপ টেস্ট করব? তা বিস্তারিত দেওয়া হলো –

ডোপ টেস্ট কি ?

বর্তমানে পুরো বিশ্বেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে মাদকাসক্তির প্রকোপ বাড়ছে খুব দ্রুত। মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা কোন কোন ক্ষেত্রে যেমন মাদকের সাহায্যে অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ করছে আবার কিছু ক্ষেত্রে মাদকাসক্তির ফলে নিজের কর্মক্ষমতা নষ্ট করে সমাজের বোঝাতে পরিণত হচ্ছে। তাই বিশ্বের সকল দেশেই বিভিন্ন কারণে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট করার নিয়ম চালু রয়েছে।

বেশীরভাগ মাদকের কার্যক্ষমতা কম সময় থাকলেও কিছু কিছু মাদক বা এ্যলকোহল জাতীয় নেশাকর পন্য আছে, সময়ের সাথে সাথেও যার রেশ শরীরে থেকে যায়। আর এগুলোই ডোপ টেস্টের মাধ্যেমে ধরা হয়। খেলাধুলায় বা অন্যান্য কাজে আর্টিফিশিয়াল কিছু ব্যবহার করে নিজের শারিরিক শক্তি বাড়িয়ে লাভবান হওয়ার সুযোগ নাই।

ডোপ টেস্ট হচ্ছে কোনো ব্যক্তি মাদকাসক্ত কিনা, সেটা যাচাইয়ের মেডিকেল পরীক্ষা। মাদক বা এলকোহলসহ বেশকিছু নেশা জাতীয় দ্রব্য আছে যা গ্রহণ করার পরও এর রেশ শরীরে থেকে যায়। আর এগুলোই ডোপ টেস্টের মাধ্যেমে শনাক্ত করা হয়।

বাংলাদেশে ডোপ টেস্ট

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও ডোপ টেস্ট করার নিয়ম চালু করা হচ্ছে। বাংলাদেশের ডিএনসি (Department of narcotics control) ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে খসড়া প্রণয়ন করে ফেলেছে বলা বাহুল্য, এদেশে এখনো কোনো ডোপ টেস্ট বিষয়ক নীতি নেই। তাই এব্যাপারে সম্পূর্ণ নতুন একটি আইন প্রণয়ন করা হবে।

নতুন আইন প্রণয়ন করা খসড়ায় উল্লেখিত ডোপ টেস্ট করা বিষয়ক অনেকগুলো নীতি দেয়া হয়েছে। প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়ার পর এব্যাপারে গ্যাজেট প্রকাশ করা হবে এবং তারপর আইনটি কার্যকর করা হবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বলছে, মাদকদ্রব্য জব্দ করেই এর সর্বনাশা ছোবল বন্ধ অসম্ভব। চাকরিতে প্রবেশের সময় ডোপ টেস্ট বা মাদকাসক্তি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হলে এটি অনেকাংশেই রোধ সম্ভব।

জানা গেছে, সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ডোপ টেস্ট প্রথমে চালু করে পুলিশ। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পুলিশে ডোপ টেস্ট চালু হয়।

এরইমধ্যে ডোপ টেস্টে ধরা ৩৭ জন পুলিশ সদস্য চাকরি খুঁইয়েছেন। পুলিশের পর র‌্যাব, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীও অভ্যন্তরীনভাবে ডোপ টেস্ট কার্যক্রম চালু করে।

চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে ডোপ টেস্ট

দেশে তরুণদের মধ্যে মাদকের রাশ টানতে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ‘ডোপ টেস্ট’ বাধ্যতামূলক হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রেও ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক রেখে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আইনে সংশোধন আনা হচ্ছে।

আসন্ন ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্টের শর্ত যুক্ত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর ফলে ভর্তি প্রক্রিয়ার অন্যান্য কার্যক্রমের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্টও সম্পন্ন করা হবে।

বর্তমানে বাহিনীগুলোর নিজ উদ্যোগে সন্দেহভাজনদের ডোপ টেস্ট করা হলেও সরকারি অন্য পেশাজীবিদের জন্য এই ধরনের কোনো উদ্যোগ নেই। এখন আইনের বলে বাধ্যতামূলক করা হলে সবাই ডোপ টেস্টের আওতায় আসবে।

তিনি আরও বলেন, ভর্তি পরীক্ষার বাকি ৮-১০টা কার্যক্রমের মতো করেই এ ডোপ টেস্ট সম্পন্ন করা হবে। শাবিপ্রবিতে আমাদের বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ এ কাজটি সম্পন্ন করছে। আমরা প্রথমে কিট সংগ্রহ করে রাখছি। পরে ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় কার্যক্রমের সঙ্গে এটিও করা হবে। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এখন যদি সব চাকরিতে প্রবেশের সময় ডোপ টেস্টের রিপোর্ট দিতে হয় তাহলে সবাই সতর্ক হবে, মাদক থেকে দূরে থাকবে। ডোপ টেস্টে ধরা পড়ার ভয় থেকেই যুবসমাজ মাদকসেবন থেকে নিজেকে দূরে রাখবে।’

ডোপ টেস্ট কোথায় হয়?

ডোপ টেস্ট চালু হলে রাজধানী ঢাকায় তিনটি স্থানে পরীক্ষা করানো যাবে। এছাড়া ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ২২টি ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হবে। এর ফলে নিজ নিজ এলাকা থেকে ডোপ টেস্ট করানো সম্ভব হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মেডিকেল সেন্টারের প্রধান সহকারী মামুনুল হক ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থীকে ডোপ টেস্ট করানো হয়নি। বাধ্যতামূলক হলে সেইক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা কাজ করবো।’

ডোপ টেস্ট কেন করা হয়?

বর্তমানে মাদকাসক্তদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে একেবারে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সীরাই মাদকে আসক্ত হয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে নিজেকে। সেমাজের জন্য মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা হুমকির কারণ। বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেএে একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি বেশ হুমকির স্বরুপ। এসব কারণেই মূলত ডোপ টেস্ট করানো হয়। এছাড়া আরও যেসব কারণে ডোপ টেস্ট করানো হয়ে থাকে তা হলো-

  • মাদকসেবী শনাক্ত করতে
  • ট্রাফিক আইনের জন্য
  • খেলোয়াড়দের জন্য
  • আইনি জটিলতার এড়াতে ও
  • ফরেনসিকের প্রয়োজনে।

বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি সকল চাকরিতে প্রবেশকালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সঙ্গে মাদক পরীক্ষার সনদ বা ডোপ টেস্টের রিপোর্ট জমা দিতে হয়। আবার চাকরিতে থাকাকালীন কোনো কর্মচারী বা কর্মকর্তার আচরণ সন্দেহজনক হলে যে কোনো সময় তার ডোপ টেস্ট করানোও হতে পারে।

এছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সময় বা নবায়ন করার জন্যও এই পরীক্ষা করানো হয়। নতুন আইন অনুসারে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাইলেও ডোপ টেস্ট করাতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, গবেষণা বা কাজের উদ্দেশ্যে বিদেশ যেতে চাইলে বাংলাদেশি নাগরিকদের মাদক পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে হবে। অস্ত্রের লাইসেন্স করতেও ডোপ টেস্টের রিপোর্ট জমা দিতে হয়।

ডোপ টেস্ট কীভাবে করব?

ডোপ টেস্ট কীভাবে করা হয় এই প্রাশ্নটি আনেকেই করে থাকেন । সাধারণত মুত্র কিংবা রক্ত (কোনো কোনো ক্ষেত্রে দুটোরই) নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ডোপ টেস্টে মাদক গ্রহণ করার শেষ ১ সপ্তাহ মূখের লালার মাধ্যমে, শেষ ২ মাস রক্তের মাধ্যমে, শেষ ১২ মাস বা ১ বছর চুল পরীক্ষার মাধ্যমে মাদক শনাক্ত হবে।

এছাড়াও, ডোপ টেস্টে স্প্যাইনাল ফ্লুইড পরীক্ষার মাধ্যমে গত পাঁচ বছরের মধ্যে যদি কেউ মাদক গ্রহণ করে তবে এ পরীক্ষায় ধরা পড়বে। বর্তমানে মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে ডোপ টেস্ট করা হচ্ছে এবং এই পরীক্ষার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি শেষ ১০ দিনে কোনো মাদক গ্রহণ করেছেন কি না তা জনা যাবে।

নিচে ডোপ টেস্ট করার নিয়ম উল্লেখ করা হলো –

  • ইউরিন বা মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে ডোপ টেস্ট করা হয়।
  • কোনো মাদক সেবনের পর মুখের লালা বা থুথু পরীক্ষা করে শনাক্ত করা যায় তার উপস্থিতি। যেমন- গাজা সেবন করার পরবর্তী ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত মুখের লালা থেকে এই মাদক পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত করা যায় মুখের লালা পরীক্ষা মাধ্যমে।
  • শরীরে মাদকের কোনো উপস্থিতি আছে কি না তা পরীক্ষার অন্যতম এক উপায় হলো রক্ত পরীক্ষা। আপনার শরীরে রক্ত টেস্টের মাধ্যমে মাদকের উপস্থিতির সঠিক ফলাফল পাওয়া যায়।
  • ডোপ টেস্টের ক্ষেত্রে চুল পরীক্ষা করার মাধ্যমেও মাদক শনাক্ত করা হয়। যে কোনো মাদক গ্রহণের পরবর্তী ৯০ দিন পরেও চুল পরীক্ষার মাধ্যমে তা ধরা পড়ে সহজেই।
  • ট্রাফিক পুলিশরা সন্দেহজন চালকদের নিঃশ্বাস পরীক্ষার মাধ্যমে মাদক শনাক্ত করেন। অ্যালকোহল ডিটেক্টরের মাধ্যমে এই টেস্ট করা হয়।

বাংলাদেশে কাদের ডোপ টেস্ট করানো হয়?

ডিএনসি এর খসড়ায় উল্লেখিত নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন চাকরি ও অন্যান্য নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট এর ফলাফল গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হবে। এগুলো হচ্ছে:

  • চাকরিক্ষেত্রে: সরকারি, আধা-সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত, স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি সকল চাকরিতে প্রবেশের জন্য মেডিকেল সার্টিফিকেটের পাশাপাশি ডোপ টেস্টের সার্টিফিকেট প্রদর্শন করতে হবে। এছাড়াও এসকল প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চাকরিজীবীদেরও যেকোনো সময় সন্দেহের কারণে ডোপ টেস্ট করানোর নির্দেশ দেয়া হতে পারে।
  • ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার জন্য: ড্রাইভিং লাইসেন্স করার বা নবায়ন করার সময় মেডিকেল সার্টিফিকেট এর পাশাপাশি ডোপ টেস্ট নেগেটিভ এর সার্টিফিকেট ও প্রয়োজন হবে। 
  • শিক্ষাক্ষেত্রে: বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্যও ডোপ টেস্ট ফলাফল পরীক্ষার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
  • বিদেশ ভ্রমণে: বাংলাদেশ থেকে কাজের জন্য বা শিক্ষার উদ্দেশ্য অন্য কোন দেশে যেতে হলে ডোপ টেস্ট এর ফলাফল প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হবে।
  • অস্ত্রের লাইসেন্স করতে: অনেকেই ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কারণে অস্ত্র লাইসেন্স করিয়ে নিজের কাছে রাখে। অস্ত্র ভুল মানুষের হাতে পরলে তা বিপজ্জনক হতে পারে। সেকারণে অস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার জন্য ডোপ টেস্ট করার নিয়ম চালু করা হবে।
বাংলাদেশে ডোপ টেস্টে ((dope test)
বাংলাদেশে ডোপ টেস্টে ((dope test)

ডোপ টেস্ট করতে কত টাকা লাগে?

বাংলাদেশে ডোপ টেস্টে ((dope test) প্রতিটি টেস্টের জন্য ৯০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে। সরকারি চাকরিতে যোগদানের আগে বাছাইকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য পরীক্ষার সঙ্গে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ডোপ টেস্ট ফি নির্ধারণ করেছে সরকার। ডোপ টেস্ট বা মাদক পরীক্ষার জন্য সর্বোচ্চ ফি ৯০০ টাকাউত্তরঃ বাংলাদেশে ডোপ টেস্টে প্রতিটি টেস্টের জন্য ৯০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।

ডোপ টেস্ট করাতে কত সময় লাগে?

উত্তরঃ নেগেটিভ ফলাফলের ক্ষেত্রে সাধারণ ২৪ ঘন্টার ভিতরই ডোপ টেস্টের ফলাফল পাওয়া যায়। কিন্তু পজিটিভ ফলাফল এর ক্ষেত্রে ডোপ টেস্টের ফলাফল পেতে কয়েকদিন থেকে এক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় প্রয়োজন হতে পারে। 

সিগারেট খেলে কি ডোপ টেস্টে পজিটিভ আসার সম্ভাবনা আছে?

উত্তরঃ না। সিগারেটের নিকোটিনকে ডোপ টেস্টে হিসাব করা হয় না। তাই সিগারেট খেলে ডোপ পজিটিভ আসবে না।

গাঁজা বা ইয়াবার ধোঁয়া গ্রহণ করলে কি ডোপ টেস্টের ফলাফল পজিটিভ আসবে?

উত্তরঃ পরোক্ষভাবে ধোঁয়া গ্রহণ (যেমন মাদক গ্রহণকারীর সাথে মাদক গ্রহণের সময় একই রুমে বসে থাকা) সাধারণত অপরাধ হিসেবে ধরা হয় না। তাই ল্যাবরেটরিতে ডোপ টেস্টের সময় শরীরের নমুনাতে গাঁজা, ইয়াবা বা অন্য কোন মাদক পরোক্ষভাবে গ্রহণে দেহে যতটুকু ঘনত্বের ঐ মাদকের রাসায়নিক পাওয়া যায় তার চেয়ে বেশী ঘনত্বের রাসায়নিক পাওয়া গেলে ডোপ পজিটিভ আসে। তাই পরোক্ষভাবে মাদক গ্রহণে ডোপ টেস্ট এর ফলাফল পজিটিভ আসে না।

ডোপ টেস্টের ফলাফল কি ভুল আসতে পারে?

উত্তরঃ প্রাথমিক পরীক্ষার পর ডোপ টেস্টের ফলাফল ভুল আসার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় টেস্টের পর ফলাফল ভুল আসার সম্ভাবনা শূন্যের কাছাকাছি।

কাউকে না জানিয়ে কি তার ডোপ টেস্ট করা সম্ভব?

উত্তরঃ সন্দেহভাজন কারো ডোপ টেস্ট তাকে না জানিয়েও করা যেতে পারে। গোপনে ডাক্তারের মাধ্যমে রক্ত, চুল বা অন্য কোন নমুনা সংগ্রহ করে ডোপ টেস্ট করা হতে পারে কখনো কখনো।

ডোপ টেস্টের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা নমুনা কোনটি?

উত্তরঃ ডোপ টেস্টের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ও সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত নমুনা হচ্ছে মূত্র।

ডোপ টেস্টে কি কোন মাদকাসক্ত ব্যক্তি নমুনাতে পানি বা অন্যকিছু মিশিয়ে নেগেটিভ ফলাফল পেতে পারে?

উত্তরঃ ডোপ টেস্টের প্রাথমিক পরীক্ষার জন্য নেয়া নমুনা  হিসেবে মূত্র নেয়ার ৪ মিনিটের মাঝে নমুনাটি ৩৩° থেকে ৩৮° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় না আসলে সেটিকে পানি মিশিয়ে বা অন্য কোনভাবে ভেজাল মিশ্রিত করা হয়েছে বলে ধরা হয়। এছাড়াও মূত্রে ক্রিয়েটিনিন এর পরিমান 18mmol/L এর নিচে থাকলেও মূত্রে পানি বা অন্য কোন রাসায়নিক মিশ্রিত করা হয়েছে বলে ধরা হয়। তাই ডোপ টেস্টের নমুনাতে পানি বা অন্য কিছু মিশিয়ে জালিয়াতি করা সম্ভব নয়। 

ডোপ টেস্ট করতে কত টাকা খরচ হয়?

উত্তরঃ বাংলাদেশে ডোপ টেস্টে প্রতিটি টেস্টের জন্য ৯০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে। 

কত দিন ধরে মাদক গ্রহণ করলে ডোপ পজিটিভ আসবে?

উত্তরঃ ডোপ টেস্টের ফলাফল কতদিন ধরে মাদক গ্রহণ করা হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে না। ডোপ টেস্টের নির্দিষ্ট কিছুদিন আগে মাদক গ্রহণ করলেই ডোপ টেস্টের ফলাফল পজিটিভ আসতে পারে। 

কারো কোনো ঔষধের কারণে ডোপ টেস্ট পজিটিভ আসলে তার পরিণতি কি হবে?

উত্তরঃ কোনো ঔষধের কারণে ডোপ টেস্টের ফলাফল পজিটিভ আসলে ঐ ঔষধ গ্রহণের প্রমাণ ও ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন দেখাতে হবে। যথাযথ প্রমাণ ও কাগজপত্র দেখাতে পারলে ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

Post Related Things : dope test sample, how dope test is done, dope test bd, dope test price in bangladesh, dope test result, dope test abbreviation, dope test positive, ডোপ টেস্ট কতদিন, ঢাকায় ডোপ টেস্ট কোথায় হয়, ডোপ টেস্ট কি, বাংলাদেশে কিভাবে ডোপ টেস্ট করা হয়, ডোপ টেস্ট কিভাবে করা হয়, ডোপ টেস্ট থেকে বাঁচার উপায়, ডোপ টেস্ট, ডোপ টেস্ট বিডি,

Mir Sayedhttps://www.mirbhai.com
I am a person who completed up to class 10 and want to give job to those completing graduation.... _______If you love someone, they will burn you, and if you love money, everyone will love you____( Mir Sayed)
Latest news
- Advertisement -
Related news
- Advertisement -