Homeনিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৩পরিবার পরিকল্পনা নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৩ (নতুন)

পরিবার পরিকল্পনা নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৩ (নতুন)

পরিবার পরিকল্পনা নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৩: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নিয়ােগ পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর ভাইভা প্রস্তুতির জন্য কাজে আসবে। যারা পরিবার পরিকল্পনা নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি, প্রিলিমিনারী, লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য লেখাটি খুবই উপকারী হবে।

জেলা ভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা নিয়োগ পরীক্ষার দিক নির্দেশনা ও পরিবার পরিকল্পনা নিয়োগ পরীক্ষার সাজেশন ২০২৩।

পরিবার পরিকল্পনা নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৩

পরিবার পরিকল্পনা নিয়োগ পরীক্ষার বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সমন্বয়) মতিউর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হলে নিয়োগ পরীক্ষা কবে, কিভাবে নেওয়া যায়—এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

পরীক্ষা কবে হতে পারে, এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সব পদের নিয়োগ পরীক্ষায় সর্বমোট ১০০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। প্রথমে ৭০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা হবে। তারপর ৩০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা।

আরো পড়ুন – চাকরির খবর ২০২৩

পরিবার পরিকল্পনা নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি সাধারণ জ্ঞান

সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতির জন্য শুরুতে অষ্টম-নবম ও দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই পড়া যেতে পারে। তারপর সাধারণ জ্ঞানের কোনো বই থেকে মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাংলাদেশের সম্পদ, বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি, বাঙালির সংস্কৃতি ও শিল্পকলা, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, খেলাধুলা ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সময়ের জাতীয় অর্জন প্রভৃতি বিষয়কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে।

১.স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বর্তমান মন্ত্রীর নাম কী?
-জাহিদ মালেক।
২.স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় কোন কোন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তার প্রশাসনিক ও বিভাগীয় কাজ করে থাকে?
-১.স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও
২.পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
৩.পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের প্রধান কে?
-মহাপরিচালক।
৪.বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের প্রধানকে কী বলা হয়?
-বিভাগ, পর্যায়ে পরিচালক, জেলা পর্যায়ে উপ-পরিচালক, উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।
৫.ইউনিয়নে পরিবার পরিকল্পনা কর্মীর পদবি কী?
-পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক।
৬.ইউরিটে পরিবার পরিকল্পনা কর্মীর পদবি কী?
-পরিবারকল্যাণ সহকারী।
৭.বাংলাদেশে কতজন মানুষের জন্য ১ জন পরিবারকল্যাণ সহকারী নিয়োজিত?
-প্রায় ৫ হাজার লোকের জন্য।
৮.পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ কোন কোন খাতে অধিভুক্ত আছে?
-উন্নয়ন খাত এবং রাজস্ব খাত।
৯.বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা নীতি কবে গৃহীত হয়?
-১৯৭৬ সালে।
১০.জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের ও এশিয়ার কততম বৃহত্তম দেশ?
-বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম, এশিয়ার পঞ্চম বৃহত্তম।
১১.পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ কোনটি?
-বাংলাদেশ।
১২.বাংলাদেশে বর্তমানে মোট জনসংখ্যা কত?
-১৬ কোটি ৩৭ লাখ।
১৩.বাংলাদেশে স্থুল জন্মহার কত?
-প্রতি হাজারে ১৮.৫ জন।
১৪.বাংলাদেশে স্থুল মৃত্যুহার কত?
-প্রতি হাজারে ৫.১ জন।
১৫.বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু কত?
-৭২.০ বছর।
১৬.বর্তমানে পুরুষ ও মহিলার বিবাহের সর্বনিম্ন বয়স কত?
-পুরুষ ২১ বছর ও মহিলা ১৮ বছর।
১৭.রেডিও আইসোটোপ কিসে ব্যবহৃত হয়?
-গলগন্ড রোগ নির্নয়ে।
১৮.পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমে ক্ষুদ্রতম প্রশাসনিক ইউনিট কোনটি?
-ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা।
১৯.রক্তশূন্যতা কাকে বলে?
-রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ হ্রাস পাওয়া।
২০.ধূমপানজনিত রোগে প্রতিবছর কী পরিমাণ মানুষ মারা যায়?
-প্রায় ৫০ লাখ।
২১.বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালকের নাম কী?
-টেডরস আধানম গ্রেব্রিয়াসেস।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৩

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৩
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৩

প্রশ্ন : বর্তমান স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর নাম
উত্তর : জাহিদ মালেক।

প্রশ্ন : বাংলাদেশে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়
উত্তর : ১৯৭৬ সালে।

প্রশ্ন : জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পরিবার পরিকল্পনা পরিদপ্তর গঠিত হয়
উত্তর : ১৯৭৫ সালে।

প্রশ্ন : জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের (NPC) সভাপতি
উত্তর : প্রধানমন্ত্রী।

প্রশ্ন : দেশে জাতীয় টিকা দিবস কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়
উত্তর : ১৯৯৫ সালে।

প্রশ্ন : NPC- এর পূর্ণরূপ
উত্তর : National Population Council.

প্রশ্ন : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম
উত্তর : Ministry of Health and Family Welfare.

প্রশ্ন : ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি হাসপাতালের নাম
উত্তর : পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র।

প্রশ্ন : শিশুকে ৬টি অত্যাবশ্যকীয় টিকা প্রদান করতে হয়
উত্তর : এক বছরের মধ্যে।

প্রশ্ন : পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের ইংরেজি নাম
উত্তর : Directorate of Family Planning.

প্রশ্ন : জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NIPORT) প্রতিষ্ঠিত হয়
উত্তর : ১৯৭৮ সালে।

প্রশ্ন : NIPORT- এর পূর্ণরূপ
উত্তর : National Institute of Population Research and Training

প্রশ্ন : NIPORT- এর পূর্বনাম
উত্তর : National Institute of Population Training (NIPOT).

প্রশ্ন : পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের প্রধান
উত্তর : মহাপরিচালক।

প্রশ্ন : জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী নতুন স্লোগান
উত্তর : দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালাে হয়।

প্রশ্ন : জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান
উত্তর : অষ্টম।

প্রশ্ন : জাতীয় জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়
উত্তর : ১৯৭৬ সালে।

প্রশ্ন : বাংলাদেশ জলবসন্তমুক্ত এলাকা ঘােষিত হয়
উত্তর : ১৯৭৭ সালের ডিসেম্বর থেকে।

প্রশ্ন : সবুজ ছাতা প্রতীক হলাে
উত্তর : মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবার প্রচারাভিযান লােগাে।

প্রশ্ন : বাংলাদেশে এইডস প্রতিরােধে কার্যক্রম শুরু হয়
উত্তর : ১৯৮৫ সালে।

প্রশ্ন : বাংলাদেশে দ্বিতীয় আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ারের প্রকল্পের স্বাস্থ্যসেবা ও সেবাকেন্দ্রগুলাের পরিচিতির প্রতীক
উত্তর : রংধনু।

প্রশ্ন : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) পােলিওমুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে পােলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করে
উত্তর : ১৯৮৮ সালে।

প্রশ্ন : পােলিওতে অধিক আক্রান্ত হয়
উত্তর : শিশুরা।

প্রশ্ন : মায়ের টিটি টিকা না নেওয়া থাকলে নবজাত সন্তানের আশঙ্কা থাকে
উত্তর : ধনুষ্টংকার হওয়ার।

প্রশ্ন : EPI- এর পূর্ণরূপ
উত্তর : Expanded Programmer on Immunization.

প্রশ্ন : EPI প্রকল্পে সাহায্যদানকারী সংস্থা
উত্তর : ইউনিসেফ।

প্রশ্ন : বিসিজি টিকা দেওয়া হয়
উত্তর : যক্ষ্মা প্রতিরােধে।

প্রশ্ন : শিশুর হাত-পা ধনুকের মতাে বাঁকা হয়ে যায়
উত্তর : রিকেটস রােগের কারণে।

প্রশ্ন : গর্ভাবস্থায় মায়েদের অত্যাবশ্যকীয় টিকা
উত্তর : টিটি।

প্রশ্ন : মায়েদের গর্ভধারণের সঠিক সময়
উত্তর : ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।

প্রশ্ন : সন্তানধারণ ও প্রসবের পর শারীরিকভাবে পুরােপুরি সুস্থ হতে মায়েদের সময় লাগে
উত্তর : দুই বছর।

প্রশ্ন : বিশ্বে শিশু মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি
উত্তর : আফ্রিকা মহাদেশে।

প্রশ্ন : বিশ্বে HIV আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি মহামারি এলাকা
উত্তর : আফ্রিকা মহাদেশে।

প্রশ্ন : স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে নারীর সন্তান নেওয়া উচিত নয়
উত্তর : ২০ বছরের আগে।

প্রশ্ন : টিটি টিকা নিতে হয়
উত্তর : পাঁচ ডােজ।

প্রশ্ন : দুটি সন্তানধারণের মধ্যে সময়ের ব্যবধান দুই বছরের কম হলে শিশুর মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়
উত্তর : ৫০ শতাংশ।

প্রশ্ন : মাঠভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি চালু হয়
উত্তর : ১৯৬৫ সালে।

প্রশ্ন : সরকারের পৃষ্ঠপােষকতায় ক্লিনিকভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি চালু হয়
উত্তর : ১৯৬০ সালে।

প্রশ্ন : FPAB- এর পূর্ণরূপ
উত্তর : Family Planning Association of Bangladesh.

প্রশ্ন : HPSP কার্যক্রমের মেয়াদ
উত্তর : পাঁচ বছর।

প্রশ্ন : ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা সহকর্মীর পদবী
উত্তর : পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক।

প্রশ্ন : World Health Organization (WHO) প্রতিষ্ঠিত হয়
উত্তর : ৭ এপ্রিল ১৯৪৮।

প্রশ্ন : ভিশন ২০২০ হলাে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে
উত্তর : অন্ধত্ব দূরীকরণের কর্মপরিকল্পনা।

প্রশ্ন : WHO-এর সদর দপ্তর
উত্তর : জেনেভা (সুইজারল্যান্ড)।

প্রশ্ন : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বাংলাদেশকে পােলিওমুক্ত ঘােষণা করে
উত্তর : ২০১৪ সালে।

প্রশ্ন : HPSP–এর পূর্ণরূপ
উত্তর : Health and Population Sector Program.

প্রশ্ন : বাংলাদেশে প্রথম ভাসমান হাসপাতাল
উত্তর : জীবনতরী।

প্রশ্ন : বাংলাদেশে দ্বিতীয় ভাসমান হাসপাতাল
উত্তর : লাইফবয় ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল।

প্রশ্ন : মুসলিম দেশগুলােতে জন্মনিয়ন্ত্রণপদ্ধতি গ্রহণকারী প্রথম দেশ
উত্তর : বাংলাদেশ।

প্রশ্ন : সব অন্তঃসত্ত্বা মা এবং ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী সব নারীকে নিতে হয়
উত্তর : ধনুষ্টংকার টিকা।

প্রশ্ন : সন্তান গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর ৪২ দিনের মধ্যে প্রসূতির মৃত্যু হলে তাকে বলে
উত্তর : মাতৃমৃত্যু।

প্রশ্ন : জন্ম থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত একটি শিশুকে বলে
উত্তর : নবজাতক।

প্রশ্ন : ২০২২ সালে জীবিত জন্মে (প্রতি হাজারে) নবজাতকের মৃত্যু
উত্তর : ১৫ জন।

প্রশ্ন : ২০২২ সালে প্রতি লাখ জীবিত জন্মে মাতৃমৃত্যু
উত্তর : ১৯৩ জন।

জেলা ভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা নিয়োগ পরীক্ষার গণিত সাজেশন

  • ৫ম শ্রেনি থেকে ৮ম শ্রেনি সাধারণ গণিত বই থেকে।
  • শতকরা
  • লাভ-ক্ষতি
  • সুদাসল
  • পিতা-পুত্র
  • ঐকিক নিয়য়
  • উৎপাদক
  • মান নির্নয়
  • জ্যামিতিক সংজ্ঞাসমূহ

জেলা ভিত্তিক পরিবার পরিকল্পনা নিয়োগ পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান সাজেশন

  • নিজ জেলা সর্ম্পকিত
  • বাংলাদেশের বিভিন্ন সমীক্ষা
  • বিভিন্ন পুরস্কার
  • মুক্তিযুদ্ধ
  • বঙ্গবন্ধু
  • Covid-19
  • বিখ্যাত গ্রন্থ/ উপন্যাস
  • খেলাধুলা
  • বিখ্যাত ব্যক্তি, সরকার, রাজধানী, মুদ্রা ইত্যাদি।
  • ইতিহাস
  • সাম্প্রতিক বিষয়াবলি
  • বিজ্ঞান
  • চিকিৎসা বিজ্ঞান ও মানবদেহ।
  • রোগ ও ভিটামিন
  • পরিবার পরিকল্পনার সর্ম্পকিত।

পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান ২০২৩

পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণের ক্ষেত্রে, বয়স, সন্তান সংখ্যা, স্বাস্থ্য এবং পছন্দ এ সব বিষয়ের উপরই গুরুত্ব দিতে হবে।

পরিবার পরিকল্পনা
পরিবার পরিকল্পনা

জন্মবিরতিকরণ পদ্ধতি নির্বাচন

সব পদ্ধতি সব স্বামী-স্ত্রীর জন্য সমান উপযোগী নয় । কোন পরিবার পরিকল্পনা বা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি কোন ধরনের স্বামী-স্ত্রীর জন্য উপযোগী তা নীচের ছকে দেয়া হোল।

দম্পতির ধরণপদ্ধতি কখন নেবেনজন্মবিরতিকরণ পদ্ধতি
নবদম্পতিনববিবাহিত স্বামী – স্ত্রী , ২ – ৩ বছর দেরি করে সন্তান নেওয়ার জন্য ( স্ত্রীর ২০ বছর বয়সের আগে গর্ভধারণ করলে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য এবং এমন কি কখনো বা মৃত্যুর ঝুঁকিও থাকে ) ।বড়ি , কনডম , ইমপ্ল্যান্ট
যাদের একটি সন্তান আছেপ্রথম সন্তান হওয়ার পর কমপক্ষে ৩ বছর পর্যন্ত সন্তান নেয়ার জন্য ( দু ‘ সন্তানের জন্মের মাঝে বিরতি ৩ বছরের কম হলে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি অনেকটা বেড়ে যায় ) ।বড়ি , কনডম , ইনজেকশন , আইইউডি , ইমপ্ল্যান্ট
যাদের দু ‘ টি সন্তান আছেপরিবারকে দু ‘ সন্তানে সীমিত রাখার জন্য ( স্থায়ী পদ্ধতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন ) ।বড়ি , কনডম , ইনজেকশন , আইইউডি , ইমপ্ল্যান্ট
যাদের একাধিক সন্তান আছে , ভবিষ্যতে আর কোনো সন্তান চান নাদু ‘ টি সন্তান থাকলে এবং ছোট সন্তানের বয়স কমপক্ষে দু ‘ বছর হতে হবে ; দু ‘ টি সন্তানের বেশি থাকলে যে কোনো সময় বন্ধ্যাকরণ করা যায় ।ভ্যাসেকটমি ( এনএসভি ), টিউবেকটমি , আইইউডি

পরিবার পরিকল্পনার গ্রহণ কেন প্রয়োজন

একটি সুস্থ ,সবল ও সুখী পরিবার সবার প্রত্যাশা । আর এজন্য চাই সঠিক পরিকল্পনা । বিয়ের পর কখন প্রথম সন্তান নেবেন, পরবর্তী সন্তান আবার কবে নেবেন, কয়টি সন্তান নেবেন এসব বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে আলাপ করে জন্মবিরতিকরণের সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন ।

  • স্বামী – স্ত্রী পছন্দমত সময়ে এবং পছন্দমত সংখ্যায় সন্তান নিতে পারেন।
  • ঘন ঘন গর্ভধারনের ঝুঁকি কমায়, ফলে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের ঝুঁকি এবং মা ও শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি কমে।
  • মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ভাল থাকে।
  • স্বামী ও স্ত্রীর শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক চাপ কমায়।
  • সন্তান সংখ্যা কম হলে সব সন্তানদের যথাযথ যত্ন নেয়া যায়, তাদের চাহিদা সমূহ সহজে পূরণ করা যায়।
  • • সংসারে সুখ, শান্তি ও স্বাচ্ছন্দ বাড়ায়।
  • জনসংখ্যা বৃদ্ধির গতি কমায়।

সুস্থ গর্ভধারণের জন্য উপযুক্ত বয়স, সময় ও বিরতি

একজন নারীর সুস্থ গর্ভধারণের জন্য প্রয়োজন সঠিক সময় ও দুটি সন্তানের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবধান। মায়ের স্বাস্থ্য, তার ভূমিষ্ঠ শিশু, নবজাতক ও শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষে পরিবার পরিকল্পনার পদ্ধতিসমূহ সম্পর্কে ভালভাবে জেনে বুঝে পদ্ধতি নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা প্রয়োজন । যাতে করে সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রেক্ষিতে একজন দম্পতি আকাঙ্ক্ষিত পরিবার গঠন করতে পারেন। গর্ভধারণের সঠিক সময়ের অনুসরণ না করার কারণে মায়ের স্বাস্থ্য ও সুস্থ সন্তান লাভের ক্ষেত্রে নেতিবাচক দিকসমূহ –

পরিণত বয়সের (২০ বছর) আগে সন্তান না নেয়া

  • ২০ বছর বয়সের আগে মা হওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূ । কারণ এর আগে মায়ের শরীর গর্ভধারণের জন্য উপযুক্ত হয় না ।

কম বয়সে মা হলে নিচের সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে-

  • প্রসববেদনা দীর্ঘায়িত হয়
  • খিঁচুনি বা এক্লাম্পসিয়া
  • প্রসব-পরবর্তী রক্তক্ষরণ
  • অপরিণত সন্তান
  • কম ওজনের সন্তান

দুই সন্তানের জন্মের মাঝে কমপক্ষে ৩ বছরের বিরতি দেয়া

শিশু জন্মের পর পরবর্তী গর্ভধারণ করতে চাইলে কমপক্ষে ৩ বছরের বিরতি দিতে হবে। এই সময় শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে এবং প্রয়োজনে উপযুক্ত পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে । কমপক্ষে ৩ বছর বিরতি না দিয়ে গর্ভধারণ করলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে । যেমন-

  • গর্ভপাত হওয়া
  • কম ওজনের সন্তান প্রসব
  • নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সন্তান হওয়া
  • মায়ের রক্তস্বল্পতা

পঁয়ত্রিশ (৩৫) বছর বয়সের পরে সন্তান না নেয়া

নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে একজন নারীর ৩৫ বছর বয়সের পর আর সন্তান নেয়া উচিত নয়। ৩৫ বছর বয়সের পর সন্তান নিলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে । যেমন –

  • বিকলাঙ্গ বাচ্চা হওয়া
  • গর্ভকালীন ডায়াবেটিস
  • মায়ের উচ্চরক্তচাপ ও খিঁচুনি
  • প্রসব-পরবর্তী রক্তক্ষরণ
  • গর্ভপাতের সম্ভাবনা

গর্ভপাতের পর পুনরায় গর্ভধারণের আগে কমপক্ষে ৬ মাস বিরতি দেয়া

গর্ভপাতের পর কমপক্ষে ৬ মাস বিরতি না দিলে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে । যেমন-

  • সময়ের আগেই পানি ভাঙা
  • সন্তান কম ওজনের হওয়া
  • মায়ের রক্তস্বল্পতা
  • অপরিণত সন্তান জন্ম হওয়া

সূত্রঃ পরিবার পরিকল্পনা ম্যানুয়েল, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

হাজংদের অধিবাস কোথায়?
উত্তরঃ ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা ।

বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষ দেশ কোনটি?
উত্তরঃ চীন ।

বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত জেলা কোনটি?
উত্তরঃ  মাগুরা ।

জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক দেশ কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ ২ টি । (ভ্যাটিকান সিটি ও ফিলিস্তিন) ।

মগদের আদিনিবাস কোথায় ছিল?
উত্তরঃ আরাকান (মায়ানমার) ।

ব্ল্যাক বেঙ্গল হলো—
উত্তরঃ ছাগলের একটি জাত ।

সাউথ এশিয়ান ফোরামের প্রন্তাবক দেশ কোনটি?
উত্তরঃ ভারত ।

বাংলাদেশে পরিবেশ নীতি ঘোষণা করা হয় কত সালে?
উত্তরঃ ১৯৯২ সালে ।

রাশিয়ায় সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংগঠিত হয় কত সালে?
উত্তরঃ ১৯১৭ সালে ।

বাংলাদেশে প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠিত হয় কত সালে?
উত্তরঃ ১৯৭২ সালে ।

অবিভক্ত বাংলার প্রথম আদমশুমারি শুরু হয় কত সালে ?
উত্তরঃ ১৮৭২ সালে ।

জার্মানির কোন রাজা ইংল্যান্ডের সিংহাসনে বসেন?
উত্তরঃ প্রথম জর্জ ।

বাংলাদেশে উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান আছে কয়টি?
উত্তরঃ ৮ টি ।

ইউরোশিয়ান ইকনোমিক ইউনিয়ন যাত্রা শুরু করে কবে?
উত্তরঃ  ১ জানুয়ারি , ২০১৫ ।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী নির্বাহী ক্ষমতার সব্বোর্চ অধিকারী হলেন কে?
উত্তরঃ  প্রধানমন্ত্রী ।

উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম একত্রিত হয় কবে?
উত্তরঃ ১৯৭৬ সালে ।

বাংলাদেশে প্রথম মহিলা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট স্থাপিত হয় কবে?
উত্তরঃ ১৯৮৬ সালে ।

প্যাপিরাস যে সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত—
উত্তরঃ মিসরীয় ।

স্পিরুলিনা হলো…
উত্তরঃ শৈবাল জাতীয় এক প্রকার খাদ্য ও ওষুধ ।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর হল সঠিক সময় সন্তান নেবার পরিকল্পনা এবং জন্ম নিয়ন্ত্রণ ও অন্যান্য পদ্ধতির যথাযত প্রয়োগ নিশ্চিতকরন। অন্যান্য পদ্ধতির মধ্যে যৌন শিক্ষা, যৌন সংক্রামকসমুহের নির্গমন প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা। 

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এর কাজ কি?

দম্পতিদের পরিবার পরিকল্পনা সেবা গ্রহনের জন্য মোটিভেশন । আগ্রহী ক্লাইডদের নিয়ে সেবা কেন্দ্রে গমন ও তাদের পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি প্রদান,ও পরবর্তীতে তাদের পর্যবেক্ষন। গর্ভবতী রেজিষ্টেশন। গর্ভ কালীন সেবা দান।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এর মিশন কি?

বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সুস্থ্, সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তোল এবং স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা সেক্টত প্রোগ্রাম (HNPSP ২০১৭-২০২২) এর মাধ্যমে মানসম্মত পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, বয়:সন্ধিকালীন সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা।

পরিবার কল্যাণ সহকারীর বেতন কত?

পরিবার কল্যাণ সহকারী পদের জন্য, সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে ১৫ গ্রেড এর বেতন প্রদান করা হয়ে তাকে । যদি ১৫ গ্রেট এর বেতন জানতে চাই তাহলে সেটা দাঁড়াবে ৯,৭০০ – ২৩,৪৯০ টাকা।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments