Homemotorcycleমোটর সাইকেল এর মালিকানা পরিবর্তন ও এফিডেভিট করার নিয়ম ২০২৩

মোটর সাইকেল এর মালিকানা পরিবর্তন ও এফিডেভিট করার নিয়ম ২০২৩

মোটর সাইকেল এর মালিকানা পরিবর্তন ২০২৩: মোটরসাইকেলের মালিকানা পরিবর্তনের এফিডেভিট করার নিয়ম: মটর সাইকেল এর এফিডেভিট করতে হলে ক্রয়কৃত ব্যাক্তি এবং বিক্রয়কারী উভয়য়ের উপস্থিতে ১০০ বা ২০০ টাকার স্ট্যাম্প লাগবে এবং সেই স্ট্যাম্পে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ এর মাধ্যমে চুক্তিনামা সাক্ষর করতে হবে। কিভাবে মটরসাইকেল এর এফিডেভিট করবেন তা সম্পূর্ণভাবে পোষ্টিতে দেখানো হয়েছে। আপনি যাইলে এটি কোর্টের মাধ্যমে এফিডেভিট করতে পারবেন।

মোটরসাইকেলের মালিকানা পরিবর্তন

মোটর সাইকেল এর মালিকানা পরিবর্তন: (Motorcycle malikana poriborton) নতুন বাইক কেনার সামর্থ্য থাকে না, তারা অনেকে পুরাতন বাইক কিনে থাকেন। এক্ষেত্রে পুরাতন গাড়ি বা বাইক কিনলে মালিকানা পরিবর্তন করাটা জরুরি হয়ে পড়ে। সেকেন্ড হ্যান্ড মোটরবাইক বা পুরাতন বাইক কিনে মালিকানা পরিবর্তনের জন্য কি কি করা লাগে, মোটরযানের মালিকানা বদলী ফি কত ও মালিকানা বদলী ফরম, আইন কি বলে ইত্যাদি বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হল:

ওয়ারিশ সূত্রে মালিকানা বদলীর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

মোটর সাইকেল এর মালিকানা পরিবর্তন করার জন্য পূরণকৃত ও স্বাক্ষরিত ‘টিও’ ও ‘টিটিও’ ফরম, কোর্ট/স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত ওয়ারিশ সংক্রান্ত সনদ, প্রয়োজনীয় ফি জমাদানের রশিদ, একাধিক ওয়ারিশ থাকলে প্রথম ওয়ারিশের TIN সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি (ভাড়ায় চালিত নহে এমন কার, জিপ, মাইক্রোবাস-এর ক্ষেত্রে), মূল রেজিস্ট্রেশন সনদ (উভয় কপি)/ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), ছবিসহ নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে ওয়ারিশসূত্রে মালিকানা প্রাপ্তি সংক্রান্ত ওয়ারিশগণের হলফনামা [একাধিক ওয়ারিশ থাকলে এবং একজনের নামে মালিকানা প্রদান করা হলে সেক্ষেত্রে অন্যান্য ওয়ারিশগণ কর্তৃক সকলের ছবিসহ নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে আর একটি হলফনামা], নমুনা স্বাক্ষর ফর্মে নমুনা স্বাক্ষর এবং ইংরেজিতে নাম, পিতার/স্বামীর নাম, পর্ণ ঠিকানা ও তিন কপি স্ট্যাম্প আকারের রঙিন ফটোসহ ফরমের অন্যান্য তথ্য পূরণ করা লাগবে।

ক্রেতার করণীয়ঃ ১। পূরণকৃত ও স্বাক্ষরিত ‘টিও’ ও ‘টিটিও’ ফরম; [এ দু’টি ফরমসহ অন্যান্য ফরম এ ওয়েবসাইটের http://www.brta.gov.bd/ DOWNLOAD FORMS থেকে পাওয়া যাবে] ২। প্রয়োজনীয় ফি জমা দানের রশিদ । ৩। ক্রেতার TIN সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি (ভাড়ায় চলে না এমন কার, জিপ, মাইক্রোবাস-এর ক্ষেত্রে) । ৪। মূল রেজিস্ট্রেশন সনদ (উভয় কপি)/ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) । ৫। ছবিসহ নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে ওয়ারিশগণের হলফনামা (একাধিক ওয়ারিশ থাকলে এবং একজনের নামে মালিকানা প্রদান করা হলে অন্যান্য ওয়ারিশগণ কর্তৃক স্ট্যাম্পে আর একটি হলফনামা দিতে হবে)। ৬। সংশ্লিষ্ট নমুনা স্বাক্ষর ফরমে ক্রেতার নমুনা স্বাক্ষর এবং ইংরেজীতে নাম, পিতার/স্বামীর নাম, পূর্ন ঠিকানা ও ৩ কপি স্ট্যাম্প আকারের রঙ্গীন ফটোসহ ফরমের অন্যান্য সকল তথ্য প্রদান, তবে ক্রেতা কোন প্রতিষ্ঠান হলে, উপরে বর্ণিত কাগজপত্রসহ (হলফনামা ব্যতিত) অফিসিয়াল প্যাডে চিঠি।  

বিক্রেতার করণীয়ঃ ১। ফরম ‘টিটিও’ এবং বিক্রয় রশিদে স্বাক্ষর । ২। বিক্রেতার ছবিসহ বিক্রয় হলফনামা । ৩। বিক্রেতা কোম্পানী হলে কোম্পানীর লেটার হেড প্যাডে ইন্টিমেশন, বোর্ড রেজিুলেশন ও অথরাইজেশন পত্র প্রদান । ৪। মোটরযানটি ব্যাংক অথবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট দায়বদ্ধ থাকলে দায়বদ্ধকারী প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোদ সংক্রান্ত ছাড়পত্র সংগ্রহ করে তা দাখিল করা । 

মোটরসাইকেল মালিকানা বদলির ফর্ম রেজিষ্ট্রেশন নাম্বারঃ মালিকের নামঃ পিতার নামঃ ঠিকানাঃ

গাড়ি বিক্রয় এফিডেভিট

মোটর সাইকেল এর মালিকানা পরিবর্তন 2023

গাড়ি বিক্রয় এফিডেভিট
গাড়ি বিক্রয় এফিডেভিট

মোটর সাইকেল এর মালিকানা পরিবর্তন করতে গেলে যা দরকার

২। টি.টি. ও ফরম।

৩। বিক্রয় রশিদ ফরম, মানি রিসিপ্ট।

৪। ওনার পারটিকুলার ফরম (চার স্বাক্ষরের ফরম)।

৫। হাজিরাপত্র ফরম।

৬। ক্রেতা এনআইডি ফটোকপি।

৭। বিক্রেতা এনআইডি ফটোকপি।

৮। ক্রেতার TIN সার্টিফিকেট ফটোকপি।

৯। বিক্রেতার TIN সার্টিফিকেট ফটোকপি।      

১০। টেক্স টোকেন ফটোকপি।

১১। ড্রাইভিং লাইসেন্স ফটোকপি।

১২। ২০০ টাকার ষ্ট্যাম্পে বিক্রেতা হলফনামা

১৩। ২০০ টাকার ষ্ট্যাম্প পেপারে ক্রেতার হলফনামা।

১৪। দশ টাকার রেভিনিউ ষ্ট্যাম্প।

১৫। ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হবে। (মালিকানা বদলীর ফি বাবদ ব্যাংক জমা রশিদ)।   

১৬। ক্রেতা ও বিক্রেতার ছবি (৩+২ স্বাক্ষরযুক্ত)।

১৭। ফিটনেস এর আপডেট ফটোকপি।           

১৮। মোটরসাইকেল ১৫০ সিসির উর্ধ্বে তাদের জন্য পুলিশ প্রতিবেদন।

১৯। গাড়ী হাজির করতে হবে (গাড়ী পরিদর্শন)।

২০। মোটর সাইকেলটি ব্যাংক বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে দায়বদ্ধ থাকলে ঋণ পরিশোধ ছাড়পত্র প্রদান।

২১। ক্রেতা কোন প্রতিষ্ঠানের হলে অফিসিয়াল প্যাড এ আবেদনপত্র লিখতে হবে।  

২২। বিক্রেতা কোম্পানীর হলে অফিসিয়াল প্যাডে ইন্টিমেশন, বোর্ড রেজুলেশন ও অথরাইজেশন পত্র প্রদান করতে হবে।

ক্রমিক নংমালিকানা বদলীর প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রাদি
০১টি ও ফরম
০২টি টি ও ফরম
০৩এইচ ফরম
০৪বিক্রয় রশিদ
০৫১০ টাকার রেভিনিউ স্ট্যাম্প
০৬ক্রেতা+বিক্রেতার ছবি (৩+২ স্বাক্ষরযুক্ত)
০৭ক্রেতার ন্যাশনাল আইডির ফটোকপি
০৮বিক্রেতার ন্যাশনাল আইডির ফটোকপি
০৯ক্রেতার TIN নম্বরের ফটোকপি
১০বিক্রেতার TIN নম্বরের ফটোকপি
১১TAX টোকেন এর আপডেট ফটোকপি
১২ফিটনেস এর আপডেট ফটোকপি
১৩২০০টাকার ক্রেতার স্ট্যাম্প
১৪২০০টাকার বিক্রেতার স্ট্যাম্প
১৫মালিকানা বদলীর ফি বাবদ (ব্যাংক জমা রশিদ)
১৬গাড়ী পরিদর্শন
১৭বিক্রেতা হাজির
১৮ক্রেতা হাজির

মোটর সাইকেল এর মালিকানা পরিবর্তন করার জন্য উপরোক্ত ফর্মগুলো ডাউনলোড করে সঠিকভাবে পুরণ করে নমুনা স্বাক্ষর ফর্মে নমুনা স্বাক্ষর দিয়ে প্রয়োজনীয় ফি জমা দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করবে।

মোটরসাইকেল মালিকানা পরিবর্তন ফি

আমরা যখন পুরাতন বা সেকেন্ড হ্যান্ড মোটরসাইকেল কিনতে যাই তখন আমাদের সেই মোটরসাইকেলের কাগজ বা নম্বর প্লেট নিজের নামে করার প্রয়োজন হয়। মোটর সাইকেল মালিকানা পরিবর্তন করার জন্য কোন সি.সি জন্য কত টাকা ব্যাংকে জমা দিতে হবে তা আমরা অনেকেই জানি না (bike name transfer fee)। নিম্নে মোটর সাইকেল এর মালিকানা পরিবর্তন এর জন্য ব্যাংকে কত টাকা দিতে হয় তা উল্লেখ করা হলোঃ

* মোটর সাইকেল ০ থেকে ১০০ সি.সির জন্য ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হবে (নাম্বার প্লেট সহ)

মালিকানা ফি বাবদ = ২,১২৮/- টাকা।

ডিজিটাল নাম্বার প্লেট বাবদ =২,২৬০/- টাকা।

ডিজিটাল ব্লু বুক = ৫৫৫/- টাকা ।

প্রতিলিপি ফি = ৩৪৫/- টাকা।

* মোটর সাইকেল ১০০ থেকে ১৫০ সিসির জন্য ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হবে (নাম্বার প্লেট সহ)

মালিকানা ফি = ২,৬৬৫/- টাকা।

ডিজিটাল নাম্বার প্লেট = ২,২৬০/- টাকা।

ডিজিটাল ব্লু বুক = ৫৫৫/- টাকা।

প্রতিলিপি ফি = ৩৪৫/- টাকা।

* মোটর সাইকেল ০০ থেকে ১০০ সিসির জন্য ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হবে (নাম্বার প্লেট ছাড়া)

মালিকানা ফি = ২,১২৮/- টাকা।

ডিজিটাল ব্লু বুক = ৫৫৫/- টাকা।

প্রতিলিপি ফি = ৩৪৫/- টাকা।

* মোটর সাইকেল ১০০ থেকে ১৫০ সিসির জন্য ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হবে (নাম্বার প্লেট ছাড়া)

মালিকানা ফি = ২,৬৬৫/- টাকা।

ডিজিটাল ব্লু বুক =  ৫৫৫/- টাকা।

প্রতিলিপি ফি = ৩৪৫/- টাকা।

১৬। ক্রেতা ও বিক্রেতার ছবি (৩+২ স্বাক্ষরযুক্ত)।

মোটরসাইকেল মালিকানা পরিবর্তন এর সময় ক্রেতা ও বিক্রেতার ৩+২ স্বাক্ষরযুক্ত ছবি লাগবে যা হলফনামার সাথে যুক্ত করতে হবে।

১৭। ফিটনেস এর আপডেট ফটোকপি।          

 মোটর সাইকেল মালিকানা পরিবর্তন করার সময় গাড়ীর ফিটনেস এর আপডেটটির ফটোকপি করে দিতে হবে।

১৮। মোটরসাইকেল ১৫০ সিসির উর্ধ্বে তাদের জন্য পুলিশ প্রতিবেদন।

যাদের মোটরসাইকেল ১৫০ সিসির উর্ধ্বে তাদের জন্য পুলিশ প্রতিবেদন দরকার হয়।

প্রতিবেদনের জন্য একটি নমুনা ফরমেট নিম্নে উল্লেখ করা হলোঃ-

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)
ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১, মিরপুর, ঢাকা।
স্মারক নংঃ ৩৫.০৩.৩০১১.০০১.০০১.৩৯.০৪৪.২১- তারিখঃ

গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন ২০২৩

গাড়ি রেজিস্ট্রেশন করার সময় কাগজপত্রগুলো তিন রকমের হয়। যেমন- ক্রেতা হিসেবে,বিক্রেতা হিসেবে ও ওয়ারিশ সুত্রে। গাড়িটি কেনার আগে অবশ্যই সবকিছু দেখিয়ে নেওয়া বা দেখে নেওয়া উচিত,তাই বিআরটিএ অফিসে অবশ্যই গাড়িটি নিয়ে যেতে হবে। বিআরটিএ তে ফি জমা দেয়ার পর ১০০ নং কক্ষে কাগজপত্র দেখিয়ে একটি সাক্ষর নিতে হবে। আরো দেখুন: গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করার নিয়ম ২০২৩

গাড়ির একাধিক ওয়ারিশ হলে করণীয় কি?

গাড়িটি ব্যাক্তিগত ব্যাবহার করা হলে বা গাড়ির মালিকানায় যদি একের বেশি ওয়ারিশ থাকে তাহলে সকল ওয়ারিশদের টিন সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। ওয়ারিশদের ক্ষেত্রে মূল রেজিস্ট্রেশনের সনদ ও কপি অথবা ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।

গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করতে কী কী লাগে?

গাড়ি কেনার সময় প্রথম যে কাগজটি প্রয়োজন সেটি হল টিও ফর্ম (Trasfer of Ownership) সংগ্রহ করা যা আপনি অফিস বা অনলাইন দুইভাবেই করতে পারেন। বিআরটিএ ওয়েবসাইট থেকে এই ফর্ম দুটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।  টিওতে ক্রেতার স্বাক্ষর এবং টিটিওতে ক্রেতার নমুনা স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে। 

সেকেন্ডহ্যান্ড বা পুরাতন গাড়ীর মালিকানা পরিবর্তন কিভাবে?

সেকেন্ট হ্যান্ড বা পুরাতন গাড়ী কেনার পর পরই প্রয়োজন হয় গাড়ীর মালিকানা বা ওনারশীপ পরিবর্তন করার। এটি না করা পর্যন্ত যার নামে গাড়ীটি এতদিন ছিল অফিশিয়ালি সেই থাকে গাড়ীর মালিক। এজন্য গাড়ী ক্রয়ের সাথে সাথে বিক্রেতার নিকট হতে গাড়ীর সকল মূল কাগজপত্রসহ বিক্রয়ের রশিদ, টিটিও ফরম এবং ২৫০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বিক্রয়ের হলফনামা (ছবিসহ) স্বাক্ষর করিয়ে নিতে হবে। বর্নিত কাগজগুলো স্বাক্ষর করিয়ে নেয়ার পর পরই ক্রেতার নিজেরও ফরম টিও, ফরম টিটিও, ২৫০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে ক্রয়ের হলফনামা (ছবিসহ), প্রয়োজনীয় ফি জমাদানের রশিদ, টিন সার্টিফিকেট, মুল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (স্মার্ট কার্ড অথবা পুরাতন সিস্টেমের গাড়ীর কপি ও হাউজ কপিসহ) ও ৩ কপি স্ট্যাম্প সাইজের ছবিসহ মালিকানা পরিবর্তনের জন্য বিআরটিএ’র সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে।

মালিকানা পরিবর্তন কতটা জরুরী?

ব্যবহৃত গাড়ীটি বিক্রি করে শুধু বিক্রিত টাকা পেলেই কা শেষ? না টাকা পাওয়ার থেকেও জরুরী মালিকানা পরিবর্তন করিয়ে ক্রেতার নামে হস্তান্তর করিয়ে দেয়া। 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments