31 C
Bangladesh
Wednesday, October 5, 2022
HomeEdu Infoশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো হয়েছে - ডা. দীপু মনি

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো হয়েছে – ডা. দীপু মনি

- Advertisement -
- Advertisement -

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন । ২০২৩ সাল থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই দিন ছুটি থাকছে । ১২ আগস্ট দুপুরে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনার এবং বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির ১৭তম জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. দীপু মনি জানান – শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন রাখার কথা ভাবছে সরকার ।

স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি সপ্তাহে ২ দিন! শিক্ষামন্ত্রী আরো জানান, যে দেশ যত বেশি উন্নত হয়েছে, তাদের কারিগরি শিক্ষার হার তত বেশি।

কারণ, কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত কোনো লোক বেকার থাকে না। কিন্তু আমাদের পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে কারিগরি শিক্ষাদানের জন্য দক্ষ শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের অভাব রয়েছে। ল্যাব তৈরির জন্য টাকা দিয়েছে সরকার। তবে দক্ষ প্রশিক্ষক না থাকায় ১৩টি প্রতিষ্ঠান বরাদ্দের টাকা ফেরত দিয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষার ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২২ সালের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার নতুন রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। অনিবার্য কারণ না থাকলে এসএসসি পরীক্ষা এই নির্ধারিত সূচিতেই হবে।

আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে বাছাই করা ৬২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে। মার্চের শুরুতে বাছাই করা প্রাথমিক স্তরের ১০০ প্রতিষ্ঠানে প্রথম শ্রেণিতে তা শুরু হবে।

তিনি বলেন, আমরা চারটি মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ২৩ জেলায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং প্রতিটি উপজেলায় একটি করে টিএসসি স্থাপনের বিষয়ে ভাবছি।

কারিগরি শিক্ষাকে জনপ্রিয় করে তুলতে হবে। এ শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসতে হবে। কারিগরি শিক্ষার যখন জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে, তখন এই সেক্টরের শিক্ষকদেরও মান-মর্যাদা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলবে না।

তিনি আরও বলেন, করোনার কারণে দুই বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাঠদান বন্ধ ছিল। তাই শিখন ঘাটতি নিয়ে শঙ্কা ছিল। তবে আমাদের গবেষণা বলছে, করোনার কারণে আমাদের কোনো শিখন ঘাটতি হয়নি। বরং শাপে বর হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্ব-শিখনের দক্ষতা তৈরি হয়েছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি

নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী ২০২৪ সাল থেকে নবম শ্রেণিতে এখনকার মতো বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের বিভাজন উঠে যাবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হবে।

২০২৩ সালে শুরুতে মাধ্যমিকের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে বাস্তবায়িত হবে। ২০২৪ সালে শুরু হবে অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে। নবম শ্রেণির বই যেহেতু ২০২৪ সালে যাবে, তাই ওই বছর থেকে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ভাগটি উঠে যাবে।

নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ব্যবস্থায় বড় রকমের পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বিদ্যমান পরীক্ষার চেয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক মূল্যায়ন (শিখনকালীন) বেশি হবে।

এর মধ্যে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা হবে না, পুরোটাই মূল্যায়ন হবে সারা বছর ধরে চলা বিভিন্ন রকমের শিখন কার্যক্রমের ভিত্তিতে। পরবর্তী শ্রেণিগুলোর মূল্যায়নের পদ্ধতি হিসেবে পরীক্ষা ও ধারাবাহিক শিখন কার্যক্রম—দুটিই থাকছে। সুত্র : প্রথম আলো

- Advertisement -
Mir Sayedhttps://www.mirbhai.com
I am a person who completed up to class 10 and want to give job to those completing graduation.... _______If you love someone, they will burn you, and if you love money, everyone will love you____( Mir Sayed)
Latest news
- Advertisement -
Related news
- Advertisement -