Home Blog

Upobritti 2023 উপবৃত্তি ২০২৩ আবেদন ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণী

0
Upobritti 2023
Upobritti 2023

Upobritti 2023: প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ২০২৩ সালের ৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণির ভর্তি সহায়তা উপবৃত্তি ২০২৩ আবেদন সংক্রান্ত নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে eservice.pmeat.gov.bd ওয়েবসাইটে আবেদন করা যাবে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরী শিক্ষা অধিদপ্তর, ও মাদ্রাসা অধিদপ্তরের অধীনে ৬ষ্ঠ-দশম শ্রেণিতে ভর্তিকৃত/অধ্যায়নকৃত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই উপবৃত্তি প্রদান করবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধিন স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তি সহায়তা উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

উপবৃত্তি আবেদন অনলাইনে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণীর জন্য উপবৃত্তি ২০২৩। উপবৃত্তি ২০২৩ অনলাইনে আবেদন । ক্লাস সিক্স থেকে ক্লাস টেন উপবৃত্তির আবেদন ২০২৩।

উপবৃত্তি ২০২৩ আবেদন ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণী

upobritti 2022, www shed gov bd 2023, upobritti 2022 primary school, www shed gov bd notice, www shed gov bd 2022 notice, upobitti from 2023, upobitti 2023, উপবৃত্তি লিংক, উপবৃত্তির ওয়েবসাইট, উপবৃত্তি ২০২৩, উপবৃত্তির আবেদন, উপবৃত্তির তালিকা, শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৩, পিইএসপি উপবৃত্তি, উপবৃত্তি আবেদন ফরম ২০২৩,

Upobritti 2023

Upobritti 2023: ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণে ভর্তি সহায়তার অনলাইনে আবেদন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে এই উপবৃত্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

যেসকল শিক্ষার্থীরা ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে উপবৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে চান তারা অনলাইনে ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ তারিখের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। উপবৃত্তি ২০২৩ অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি, কোন শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন , ২০২৩ কত টাকা উপবৃত্তি দিবে, উপবৃত্তি আবেদন ফরম সহ সকল তথ্য এখানে তুলে ধরেছি।

Upobritti 2023
Upobritti 2023

উপবৃত্তি ২০২৩ আবেদন অনলাইনে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণী

অনলাইনে উপবৃত্তির আবেদন (Upobritti abedon 2023) এর লিংক সহ বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন এখানে। এছাড়াও উপবৃত্তি নোটিশ ২০২৩ pdf ফাইল ডাউনলোড করা যাবে এখান থেকে। ২০২৩ সালে যেসকল শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যেই স্কুলে ভর্তি হয়েছেন তারাও এই উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। হাইস্কুল উপবৃত্তি ২০২৩ বিস্তারিত দেখুন এখানে।

আমরা এই আর্টিকেলে উপবৃত্তি নোটিশ ২০২৩ বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদেরকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট কর্তৃক উপবৃত্তি ২০২৩ বিজ্ঞপ্তির pdf ফাইল সহ, অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি, আবেদন করার সময়সীমা, কত টাকা উপবৃত্তি পাবে সকল তথ্য শেয়ার করেছি। উপবৃত্তি সংক্রান্ত নোটিশ ২০২৩ । আবেদন অনলাইনে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণীর জন্য উপবৃত্তি ২০২৩ দেখতে পারবেন এই পোস্ট থেকে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ওয়েবসাইট

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির উপবৃত্তি জন্য ধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করুন। তবে আগে থেকে রেজিস্ট্রেশন করা থাকলে পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করার প্রয়োজন নেই।

কর্তৃপক্ষপ্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট
পোস্ট শিরোনামউপবৃত্তি সংক্রান্ত নোটিশ ২০২৩ । আবেদন অনলাইনে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণীর জন্য উপবৃত্তি ২০২৩
উপবৃত্তি ২০২৩ যারা আবেদন করতে পারবেন৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা
আবেদন পদ্ধতিঅনলাইন
উপবৃত্তি আবেদন করার সময়সীমা১৭/০১/২০২৩ থেকে ১৬/০২/২০২৩ তারিখ
অফিসিয়াল ওয়েবসাইটhttp://www.pmeat.gov.bd/

ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী উপবৃত্তি ২০২৩

উপবৃত্তি ২০২৩
উপবৃত্তি ২০২৩

৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী উপবৃত্তি ২০২৩ অনলাইনে আবেদন করার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তথা হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা এই শিক্ষা সহায়তা তথা উপবৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

এই উপবৃত্তির জন্য কারিগরি স্কুলের শিক্ষার্থীরা , মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ও জেনারেল স্কুলের শিক্ষার্থীরাও এই উপবৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রির শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণে মাধ্যমিক পর্যায়ে ৫,০০০ টাকা, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ৮,০০০ টাকা এবং স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে ১০,০০০ টাকা হারে ভর্তি সহায়তা প্রদান করে থাকে।

উপবৃত্তি ২০২৩ অনলাইনে আবেদন করার সময়সীমা

৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ভর্তি সহায়তার উপবৃত্তির জন্য অনলাইনে https://www.eservice.pmeat.gov.bd/ এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করে ১৭/০১ /২০২৩ তারিখ হতে ১৬/০২/২০২৩ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

উপবৃত্তি ২০২৩ pdf ডাউনলোড

৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির উপবৃত্তি নোটিশ ২০২৩ pdf ফাইল এখানে সংযুক্তি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের দেয়া শিক্ষা সহায়তা উপবৃত্তি ২০২৩ বিজ্ঞপ্তিটির পিডিএফ ফাইল এখান থেকে ডাউনলোড করা যাবে। পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করার পর এটি মোবাইল ফোন থেকে জুম করে দেখা যাবে। ডাউনলোড উপবৃত্তি ২০২৩ সার্কুলার pdf – ডাউনলোড

উপবৃত্তি ২০২৩ অনলাইনে আবেদন করার নিয়ম

প্রধানমন্ত্রির শিক্ষা সহায়তা কর্তৃক উপবৃত্তি ২০২৩ ভর্তি সহায়তার জন্য অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি , ই-ভর্তি সহায়তা সিস্টেম ব্যাবহারের নির্দেশিকা ছবি সহ বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো। এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা অনলাইনে উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়ার ছবি গুলো সহ বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

উপবৃত্তি ২০২৩ অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি
উপবৃত্তি ২০২৩ অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি
  • শিক্ষার্থীদেরকে eservice.pmeat.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে “ভর্তি সহায়তা” বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • আবেদন করুন বাটনে ক্লিক করে এবার ”নিবন্ধন” অপশনে ক্লিক করতে হবে। নিবন্ধন বাটনে ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত প্রদর্শিত হবে। এবার শিক্ষার্থীর মোবাইল নম্বরে OTP কোড যাবে। এই কোডটি নিচের ফাকা বক্সে দিতে হবে। 
  • এবার লগইন করার জন্য আপনার ব্যাবহার করা ইমেইল ও পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করে লগইন করুন।
  • লগইন করার পর উপরের পত ছবি দেখতে পারবেন। এবার উপরের মেনু থেকে আবেদন করুন বাটনে ক্লিক করতে হবে।
  • প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র আপলোড করতে হবে। 
  • এবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়ন /সুপারিশ আপলোড করতে হবে।
  • আপলোড করার পর সংরক্ষন বাটনে ক্লিক করে পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড করতে হবে।

অনলাইনে ভর্তি সহায়তা আবেদন করার নিয়ম

অনলাইনে ভর্তি সহায়তা আবেদন করার আগে কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে। যেমন-প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক সুপারিশপত্র, ছবি, স্বাক্ষর, জন্মসনদ, অভিভাবকের এনআইডি।

প্রথমে প্রতিষ্ঠানপ্রধান কর্তৃক সুপারিশ গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ফর্ম ডাউনলোড করুন। তারপর প্রিন্ট করে পূরণ করুন ও আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের নিকট থেকে সুপারিশ গ্রহণ করুন।

এরপর আপনার ছবি, স্বাক্ষর, জন্মসনদ, অভিভাবকের এনআইডি, ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশের কপির স্পষ্ট করে ছবি তুলুন।

উপরের সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ডকুমেন্টের কাজ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করুন। তবে আগে থেকে রেজিস্ট্রেশন করা থাকলে পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করার প্রয়োজন নেই।

প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশের পিডিএফ ফরম ভর্তি আবেদনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। তাই এখান থেকে ডাউনলোড করে প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশ নিয়ে নিন।

ভর্তি সহায়তার আবেদনের জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ও লগইন করার ঠিকানা: https://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission/login

উপবৃত্তি কত টাকা ?

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা ৫০০০ টাকা পেয়ে থাকেন। সেই হিসেবে ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা এককালিক ৫,০০০ টাকা ভর্তি সহায়তা পাবে।

উপবৃত্তি ২০২৩ অনলাইন আবেদনের শেষ তারিখ কত?

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ওয়েবসাইটে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ভর্তি সহায়তা উপবৃত্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে ১৭ জানুয়ারি থেকে। অনলাইনে আবেদন গ্রহণ চলবে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অধিন স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই উপবৃত্তি প্রদান করা হবে।

শিক্ষাবৃত্তি অবেদনের ওয়েবসাইট কোনটি?

অনলাইনে ভর্তি সহায়তা আবেদনের ঠিকানা: https://www.eservice.pmeat.gov.bd/admission/

ভর্তি সহায়তা আবেদন করার নিয়ম

অনলাইনে ভর্তি সহায়তা আবেদন করার আগে কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে। যেমন-প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক সুপারিশপত্র, ছবি, স্বাক্ষর, জন্মসনদ, অভিভাবকের এনআইডি।

উপবৃত্তি ২০২৩ কি কি কাগজপত্র লাগবে?

আবেদনের নিয়মঃ সর্বপ্রথমে প্রতিষ্ঠানপ্রধান কর্তৃক সুপারিশ গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ফর্ম ডাউনলোড করুন। তারপর প্রিন্ট করে পূরণ করুন ও আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের নিকট থেকে সুপারিশ গ্রহণ করুন। অতঃপর ছবি, স্বাক্ষর, জন্মসনদ, অভিভাবকের এনআইডি, ও সুপারিশের কপি স্পষ্ট করে ছবি তুলুন।

Related Search: upobritti form 2023 apply online,upobritti form 2023 pdf, upobritti form 2023 bangladesh, উপবৃত্তি আবেদন ২০২৩, উপবৃত্তি আবেদন লিংক, উপবৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন ২০২৩, উপবৃত্তি অনলাইন আবেদন, ডিগ্রি উপবৃত্তি আবেদন,

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩

0
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩: সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২ (banglaacademy.org.bd) ঘোষণা করা হয়েছে। এ বছর বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাচ্ছেন ১৫ জন। বাংলা একাডেমির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করা হয়। বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার কমিটি ২০২২’ এর সদস্যদের অনুমতি এবং বাংলা একাডেমির নির্বাহি পরিষদের অনুমোদনক্রমে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বলে একাডেমির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অমর একুশে বইমেলা ২০২৩-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার দেবেন।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার কমিটি ২০২২-এর সদস্যদের সম্মতিতে বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদের অনুমোদনে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা ২০২৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার দেবেন।

বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০২৩

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ১৯৬০ সালে প্রবর্তিত একটি বাৎসরিক সাহিত্য পুরস্কার। বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন শাখায় বছরে ৯ জনকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বছরে ২ জনকে এই পুরস্কার প্রদানের নিয়ম করা হয়। ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে চারটি শাখায় পুরস্কার দেয়া শুরু হয়। ১৯৮৫, ১৯৯৭ এবং ২০০০ খ্রিষ্টাব্দ- এই তিনবার এই পুরস্কার দেওয়া হয়নি।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩

১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬০ সালের ২৬ জুলাই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর দি বেঙ্গলি একাডেমি (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স জারি করেন। এর মাধ্যমে একাডেমির কার্যক্রমে কিছু পরিবর্তন আসে।

তাদের কার্যাবলি সংশোধিত হয়ে সাহিত্য পুরস্কার প্রদান এবং বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রবর্তন এবং ফেলো, জীবনসদস্য ও সদস্যপদ প্রদান যোগ করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য পুরস্কার দিয়ে আসছে।

সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩
সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩

সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২২ পাচ্ছেন ১৫ জন। আজ বুধবার বিকেলে বাংলা একাডেমির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করা হয়।

এবার যারা পুরস্কার পেয়েছেন তারা হলেন, কবিতায় ফারুক মাহমুদ ও তারিক সুজাত, কথাসাহিত্যে তাপস মজুমদার ও পারভেজ হোসেন, প্রবন্ধ/গবেষণায় মাসুদুজ্জামান, অনুবাদে আলম খোরশেদ, নাটকে মিলন কান্তি দে ও ফরিদ আহমদ দুলাল, শিশুসাহিত্যে ধ্রুব এষ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় মুহাম্মদ শামসুল হক, বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় সুভাষ সিংহ রায়, বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশবিজ্ঞানে মোকারম হোসেন, আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনিতে ইকতিয়ার চৌধুরী এবং ফোকলোরে পুরস্কার পেয়েছেন আবদুল খালেক ও মুহম্মদ আবদুল জলিল।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার কমিটি ২০২২-এর সদস্যদের সম্মতিতে বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদের অনুমোদনে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা ২০২৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেবেন।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার PDF

File Details::
File Name: সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার ২০২২
File Format: PDF
No. of Pages: 2
File Size: 165 KB

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩ কারা পাবেন?

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন কবিতায় আসাদ মান্নান, বিমল গুহ, কথাসাহিত্যে ঝর্ণা রহমান, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, প্রবন্ধ/গবেষণা হোসেনউদ্দীন হোসেন, অনুবাদে আমিনুর রহমান, রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী, নাটকে সাধনা আহমেদ, শিশুসাহিত্যে রফিকুর রশীদ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় পান্না কায়সার, বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় হারুন-অর-রশিদ, বিজ্ঞান/ …

বাংলা একাডেমি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালের ৩ ডিসেম্বর এবং ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তিত হয়। ১৯৫২ সালে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

Keyword-bangla academy wikipedia, bangla academy award 2023 list, bangla academy award 2023, bangla academy main building, bangla academy dhaka, bangla academy question pattern, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০২৩ pdf, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০২৩, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০২৩ তালিকা, একুশে পুরস্কার ২০২২ তালিকা, বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৩,

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩ রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

0
ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩ রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩ রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

digital bangladesh mela 2023: ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩ উপলক্ষে অনলাইন রচনা প্রতিযোগিতা এবং শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জন্য উন্মুক্ত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। প্রাথমিক স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা (১ম থেকে ৫ম শ্রেণি) এ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিন দিনব্যাপী মেলাটি বাংলাদেশের আইটি ও আইটিইএস পণ্য ও সেবা প্রদর্শনের লক্ষ্যে সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী হবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশর মেলা ২০২৩ অনুষ্ঠিত হবে ২৬-২৮ জানুয়ারি ২০২৩। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে ৩ দিনব্যাপী ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা শুরু হচ্ছে ২৬ জানুয়ারি থেকে। মেলা উপলক্ষে ২৫ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এ কথা জানিয়েছেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩

আগামী ২৬ জানুয়ারি সকাল ১০ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও বার্তায় বলেন, তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা উদ্বোধন করবেন। টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি প্রধান অতিথি এবং ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহ এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা, শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর, ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে চিকিৎসাক্ষেত্রে অবদান, ডিজিটাল নিরাপত্তা বাড়াতে অবদান, টেকনোলজি বিকাশে অবদান এবং টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি বিকাশে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানসহ ১২টি ক্যাটাগরিতে মনোনীত ব্যক্তি ও সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের মধ্যে প্রথমবারের মতো ডাক ও টেলিযোগাযোগ পদক বিতরণ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানান, ডিজিটাল প্রযুক্তির মহাসড়ক বিনির্মাণের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা এবং পরিবর্তিত বিশ্বে নতুন সভ্যতার রূপান্তরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আইওটি, রোবটিক্স, বিগডাটা, ব্লকচেইন ইত্যাদি ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তি আজ সুদৃঢ় হয়েছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশের শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই দূরদৃষ্টি প্রজ্ঞাবান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়িত হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তি উদ্ভাবন, উপযোগী মানব সম্পদ সৃষ্টি, ডিজিটাল প্রযুক্তির আধুনিক সংস্করণের সঙ্গে জনগণের সেতুবন্ধন তৈরি এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরাই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা’ ২০২৩ অন্যতম মূল লক্ষ্য।

তিনি জানান, ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির অগ্রগতি, অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরতে তিন দিনব্যাপী ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন‌্য মেলার স্টল খোলা থাকবে। https://www.digitalbangladeshmela.org.bd বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। মেলার এ ওয়েব সাইটে ক্লিক করে দর্শনার্থীরা বিনামূল্যে নিবন্ধন করতে পারবেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩
ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা রেজিষ্ট্রেশন

digital bangladesh mela 2023 registration link below

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা

মেলায় বিভিন্ন ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য প্রদর্শন করবে। এতে, প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, ট্রিপল প্লে (এক ক্যাবলে ল্যান্ডফোনের লাইন, ইন্টারনেট ও ডিশ সংযোগ), মোবাইল অ্যাপস, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ইত্যাদি প্রদর্শন করা হবে।

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে, জেডটিই এবং বিভিন্ন মোবাইল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন করবে, দেশি সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো তাদের তৈরি সফটওয়্যার ও সেবা উপস্থাপন করবে। টেলিকম অপারেটরগুলো তাদের ভয়েস, ইন্টারনেট ও মূল্য সংযোজিত সেবা (ভ্যাস) দেখাবে।

মেলায় লাইভ দেখা যাবে ফাইভ-জি। মেলায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পৃথক কর্নার থাকবে। সেই কর্নারে প্রযুক্তির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জীবনী তুলে ধরা হবে।

মেলার শেষ দিন ২৮ জানুয়ারি মিডিয়া বাজারে বেলা ১১টায় নিরাপদ ডিজিটাল সমাজ: রাষ্ট্রের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি প্রকল্প পরিচালক তারেক এম বরকতউল্লাহ। ২৮ জানুয়ারি বেলা ১১টায় উইন্ডি টাউনে স্মার্ট সিটি বিনির্মাণে প্রযুক্তির মহাসড়কে বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এ বি এম মইনুল হোসেন।

এছাড়া ২৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টায় ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ।

রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ২০২৩

ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৩ (বাসস): আজ আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা২০২৩‘ (digital bangladesh mela 2023) শুরু হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা২০২৩‘ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। তিনি এ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেছেন।

ক-গ্রুপ : নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি)
অনধিক ১০০০ শব্দ (রচনা প্রতিযোগিতা)
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা।

খ-গ্রুপ : মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা (৯ম থেকে ১০ম শ্রেণি)
অনধিক ১২০০ শব্দ (রচনা প্রতিযোগিতা)
বিষয় : ডিজিটাল বাংলাদেশ: রূপান্তরের গল্প।
২৮ জানুয়ারি শনিবার মেলা প্রাঙ্গণে সকাল ১০টায় শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

Digital Bangladesh Mela, আয়োজন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা

ডিজিটাল বাংলাদেশ কুইজ

Digital Bangladesh Mela Last year Winners 2022

Keyword– Digital bangladesh mela 2023, digital bangladesh mela essay competition, digital bangladesh mela 2023 essay competition, digital mela, digital bangladesh mela 2022, digital mela 2023, digital bangladesh 2023, digital bangladesh quiz, ডিজিটাল বাংলাদেশ সংযুক্তির মহাসড়ক, ডিজিটাল মেলা ২০২৩, ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা, ডিজিটাল মেলা কত সাল থেকে শুরু হয়, ডিজিটাল বাংলাদেশ কুইজ,

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চাকরি ২০২৩ MORA Job circular 2023

0
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চাকরি
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চাকরি

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩: ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চাকরি- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন (mora.gov.bd) সংস্থা হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ০৩টি পদে মোট ১৬১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

বর্ণিত বেতন স্কেল অনুযায়ী জনবল নিয়োগের নিমিত্ত বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকদের নিকট হতে ডাকযোগে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদনপত্র আহবান করা যাচ্ছে।

উক্ত পদে নারী-পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন। এই চাকরিতে সকল জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবে। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। আবেদন প্রক্রিয়াসহ সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল:

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চাকরি ২০২৩

১৯৮৪ সালের ৮ মার্চ মন্ত্রণালয়টির নামকরণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালের ১৪ জানুয়ারি উক্ত নাম পরিবর্তন করে পুনরায় মন্ত্রণালয়ের নামকরণ করা হয় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ১৯৮০ সালে কার্যক্রম শুরু এর পর হতে স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় হিসেবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়, হজ্জ অফিস ঢাকা, হজ্জ অফিস, মক্কা, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট,খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও মন্ত্রণালয় এর বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে সরকারের ধর্ম বিষয়ক সকল কার্যক্রম পরিচালনাসহ দপ্তরগুলোর কার্যক্রমের মনিটরিং এবং সমন্বয় করে থাকে।

Ministry of Religious Affairs Job circular 2023

সম্প্রতি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (mora.gov.bd) ১৬১টি পদে নতুন এই চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আপনারা অনেকেই আছেন যারা ধর্ম মন্ত্রণালয় জব সার্কুলার এর অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের জন্য আমরা এখানে বিজ্ঞপ্তিটি উপস্থাপন করেছি। এই নিয়োগ সার্কুলারের মাধ্যমে আপনি সহজেই চাকরির আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর
পদ সংখ্যা: ৬৮ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রী।
অন্যান্য যোগ্যতা: কম্পিউটার টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে ২৫ ও ৩০ শব্দ।

পদের নাম: ফিল্ড সুপারভাইজার
পদ সংখ্যা: ৯১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রী।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রী।
অন্যান্য যোগ্যতা: কম্পিউটার টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে ২৫ ও ৩০ শব্দ।

আবেদনের নিয়ম: আবেদনপত্র আগামী ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখের মধ্যে প্রকল্প পরিচালক, মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম-৬ষ্ঠ পর্যায় শীর্ষক প্রকল্প, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্ট, ১/আই, পরিবাগ, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০ ঠিকানায় ডাকযোগে পৌছাতে হবে।

বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিতে দেখুন…

আবেদন ফি ও বয়সঃ আবেদনপত্রের সাথে ওয়াকফ প্রশাসক, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়-এর অনুকূলে যে কোন তফসিলি ব্যাংক হতে ১-৫নং ক্রমিকের জন্য ১০০/- টাকা এবং ৬-৭নং ক্রমিকের জন্য ৫০/- টাকার ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার অফেরতযোগ্য) সংযুক্ত করতে হবে। আবেদনকারীর বয়স ০৮-০৩-২০২২ ইং তারিখে ১৮ হতে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর। বয়সের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।

হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট নিয়োগ সার্কুলার ২০২৩

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চাকরি ২০২৩
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চাকরি ২০২৩
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চাকরি আবেদন করার নিয়ম

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চাকরি আবেদনের ঠিকানা ও সময়সীমাঃ আবেদনপত্র ওয়াক্ফ প্রশাসক, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসকের কার্যালয়, ৪ নিউ ইস্কাটন রোড, ঢাকা-১০০০ এই ঠিকানায় আগামী ৩০-১১-২০২২ ইং তারিখের মধ্যে অফিস চলাকালীন ডাকযোগে/সরাসরি জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময় ও তারিখের পরে প্রাপ্ত আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় চাকরির আবেদন ফরম

হিন্দু ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ০৩ টি পদে ১৬১ টি শূণ্য পদে জনবল নিয়োগের নিমিত্ত বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত নিয়মাবলী ও শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশের প্রকৃত স্থায়ী নাগরিকদের নিকট হতে অনলাইনে (Online) আবেদনপত্র আহ্বান করা যাচ্ছে। অনলাইন (Online) ব্যতীত কোন আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

ধর্ম মন্ত্রণালয় নিয়োগ পরিক্ষা ২০২৩

কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত পদের সংখ্যা হ্রাস/বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞপ্তি বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করেন। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোন প্রকার টিএ/ডিএ প্রদান করা হবেনা।

Post Related Things: bd job today, MINCOM Job Circular 2023, Job Circular সরকারী চাকরির  খবর, চাকরির খবর প্রথম আলো, চাকরির বাজার, আজকের চাকরির খবর, চাকরির ডাক, আজকের চাকরির পত্রিকা, চাকরির পত্রিকা আজকের, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2023, daily education, চাকরির খবর পত্রিকা, চাকরির খবর ২০২৩, চাকরির খবর apk, চাকরির খবর bd jobs, চাকরির খবর.com, daily চাকরির খবর, 

পিআইডি নিয়োগ ২০২৩ PID Job circular 2023

0
পিআইডি নিয়োগ ২০২৩
পিআইডি নিয়োগ ২০২৩

বাংলাদেশ তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) PID Job circular 2023, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়াধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ অধিদপ্তর, সম্প্রতি তথ্য অধিদপ্তর স্থায়ী পদে সরাসরি লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। পিআইডি নিয়োগ ২০২৩ তথ্য অধিদপ্তর ০৮ টি পদে মোট ৪৫ জনকে নিয়োগ দেবে।

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। পদগুলোতে নারী ও পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন। আগ্রহ  ও  যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি বিস্তারিত দেওয়া হল।

পিআইডি নিয়োগ ২০২৩

তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩– ০৮ টি পদে ৪৫ জনবল নিয়োগ দিবে । আবেদন করার জন্য তথ্য অধিদফতর কর্তৃপক্ষ যেভাবে আবেদন করতে বলেছেন যদি একজন যোগ্যতা সম্পন্ন চাকরি প্রার্থী সে নিয়ম মেনে সঠিকভাবে আবেদন করতে পারেন। তথ্য অধিদফতর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে হলে আপনাকে জন্মসূত্রে একজন স্থায়ী বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। তার সঙ্গে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা বিদ্যমান থাকতে হবে। 

পিআইডি বিজ্ঞপ্তি ২০২৩

প্রতিষ্ঠানের নামতথ্য অধিদফতর (পিআইডি )
চাকরির ধরণসরকারি চাকরি
পদ সংখ্যা০৮ টি
লোক সংখ্যা৪৫ জন
বয়স১৮-৩০ বছর
শিক্ষাগত যোগ্যতাবিস্তারিত অফিশিয়াল নোটিশ দেখুন।
সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে২৫ জানুয়ারি ২০২৩
প্রকাশ্য সূত্রঅফিশিয়াল ওয়েবসাইট
আবেদন করার মাধ্যমঅনলাইন
আবেদন শুরুর তারিখ৩০ জানুয়ারি ২০২৩
আবেদনের শেষ তারিখ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
অফিশিয়াল ওয়েবসাইটwww.pressinform.gov.bd
আবেদন করার লিংকঅফিশিয়াল নোটিশের নিচে

PID Job circular 2023

পদের নাম: ইনফরমেশন অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ০৯ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা।

পদের নাম: ফটোগ্রাফার
পদসংখ্যা: ০৪ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা।

পদের নাম: সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ০৫ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
অন্যান্য যোগ্যতা : সাঁট লিপিতে প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে যথাক্রমে ৪৫ ও ৭০, কম্পিউটার টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে যথাক্রমে ২৫ ও ৩০।
বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নাম: ড্রাইভার
পদসংখ্যা: ০৩ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: জেএসসি বা সমমান পাশ।
বেতন স্কেল: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: ক্যাটালগার
পদসংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পাশ।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: স্টোর অ্যাসিস্ট্যান্ট
পদসংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্য বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমান পাশ।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ০৪ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় পাশ।
অন্যান্য যোগ্যতা : কম্পিউটার টাইপিং-এ প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে  ২০।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা।

পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ১৮ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাশ।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা।

আবেদন শুরুর সময়: ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখ সকাল ১০:০০ টা থেকে শুরু হবে।
আবেদনের শেষ সময়: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখ বিকাল ০৫:০০ টায় শেষ হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া: আবেদন করতে হবে অনলাইনে http://pid.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধমে অনলাইনে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

তথ্য অধিদপ্তর পিআইডি নিয়োগ
তথ্য অধিদপ্তর পিআইডি নিয়োগ
তথ্য অধিদপ্তর পিআইডি নিয়োগ ২০২৩
তথ্য অধিদপ্তর পিআইডি নিয়োগ ২০২৩
তথ্য অধিদপ্তর পিআইডি নিয়োগ ২০২৩
তথ্য অধিদপ্তর পিআইডি নিয়োগ ২০২৩

তথ্য অধিদফতর নিয়োগ ২০২৩

তথ্য অধিদফতর জব সার্কুলারে আবেদন করার জন্য আবেদন করার শুরুর তারিখ, আবেদন করার মাধ্যম,  এডমিট কার্ড, পিডিএফ ফাইল, তথ্য অধিদফতর এর অফিসিয়াল নোটিশ, পরীক্ষার সময়, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, পরীক্ষার স্থান, ব্যাংক ড্রাফট, আবেদন করার প্রক্রিয়া সহ একাধিক বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে এই পেজের মধ্যে। তাই সকল ঝামেলা এরাতে এখনই পেজটি গভীর মনোযোগ সহকারে পর্যবেক্ষণ করুন।  

Post Related Things: bd job today, MINCOM Job Circular 2023, Job Circular সরকারী চাকরির  খবর, চাকরির খবর প্রথম আলো, চাকরির বাজার, আজকের চাকরির খবর, চাকরির ডাক, আজকের চাকরির পত্রিকা, চাকরির পত্রিকা আজকের, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2023, daily education, চাকরির খবর পত্রিকা, চাকরির খবর ২০২৩, চাকরির খবর apk,

চাকরির খবর bd jobs, চাকরির খবর.com, daily চাকরির খবর, e চাকরির খবর, চাকরির খবর govt, চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চাকরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2023, চাকরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চাকরীর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, new চাকরির খবর, চাকরির খবর paper, চাকরির খবর পত্রিকা, চাকরির ডাক পত্রিকা, চাকরির বাজার পত্রিকা, সাপ্তাহিক চাকরির পত্রিকা

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2023

0
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2023
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2023

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ: বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (BFSA) শূন্য পদসমূহ পূরণের লক্ষে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি( bfsa.teletalk.com.bd )প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (Bangladesh Food Safety Authority) ০৪ টি পদে মোট ১২ জনকে নিয়োগ দেবে। পদগুলোতে বাংলাদেশের সকল জেলার নারী ও পুরুষ প্রার্থীরা উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩ প্রকাশিত হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কর্তৃপক্ষ হিসেবে খাদ্য উৎপাদন, আমদানী, প্রক্রিয়াকরণ, গুদামজাতকরণ, বিতরণ ও বিপণন প্রক্রিয়ায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য পর্যবেক্ষণ এবং পরিবীক্ষণ করণের জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী কর্তৃপক্ষ হিসেবে “বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ” ২০১৫ সালে ২ ফেব্রুয়ারী মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।

Bangladesh Food Safety Authority Job Circular 2023

খাদ্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩: (বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের রাজস্ব খাতভুক্ত নিয়োগযোগ্য শূন্য পদের বিপরীতে জাতীয় বেতনস্কেল, ২০১৫ এর ৯ম গ্রেডভুক্ত নিম্নোক্ত পদে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে অস্থায়ী ভিত্তিতে সরাসরি জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে পদের পাশে বর্ণিত শর্তে বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকদের নিকট হতে অনলাইনে আবেদনপত্র আহবান করা হয় ।

পদের নাম: নিরাপদ খাদ্য অফিসার
পদ সংখ্যা: ০৮ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: সহকারী পরিচালক
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: গবেষণা কর্মকর্তা
পদ সংখ্যা: ০২ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।

পদের নাম: বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা
পদ সংখ্যা: ০১ টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
বেতন স্কেল: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে http://bfsa.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেন করতে পারবেন।

আবেদন শুরুর সময়: ২৫ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখ সকাল ১০:০০ টা থেকে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময়: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখ বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ সার্কুলার ২০২৩

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ সার্কুলার ২০২৩
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ সার্কুলার ২০২৩
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ সার্কুলার ২০২৩
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ সার্কুলার ২০২৩
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ সার্কুলার ২০২৩
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ সার্কুলার ২০২৩

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ২০২৩

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশিত পদের বিপরীতে নিয়োগ প্রাপ্ত হবার জন্য প্রার্থীদের তিনটি ধাপে পরীক্ষা করা। যার প্রথম ধাপ হচ্ছে লিখিত পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীগন পরবর্তীতে ব্যবহারিক এবং মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য মনোনীত হবেন।

  • লিখিত পরীক্ষার দিনে প্রার্থীদের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদানকৃত কিছু নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। যেগুলো হলো-
  • পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে সকল পরীক্ষার্থী কেন্দ্র উপস্থিত হতে হবে।
  • পরীক্ষা কেন্দ্রের অভ্যন্তরে কোন প্রার্থী কোন ধরনের ব্যাগ বা ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। পরীক্ষার প্রয়োজনীয় সকল বস্তু প্রার্থীর সাথে করে নিয়ে আসতে হবে।
  • শুধুমাত্র পরীক্ষার্থী ছাড়া কোনো অভিভাবক কেন্দ্রের ভিতর প্রবেশ করতে পারবে না।
  • পরীক্ষা কেন্দ্রের অভ্যন্তরে সকল পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই পরিত্যাগ করতে হবে এবং সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

সকল প্রার্থীকে উপরের নির্দেশনা গুলো মেনে চলতে হবে। কোনো পরীক্ষার্থী নির্দেশনাগুলো অমান্য করলে তার ওপর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিয়োগ এর ক্ষেত্রে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নেয়া সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে গণ্য করা হবে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এর কাজ কি?

বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতির যথাযথ অনুশীলনের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতকরণে খাদ্য উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, সরবরাহ ও বিক্রয় সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ, পরিবীক্ষণ এবং নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করা।

নিরাপদ খাদ্য আইন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কর্তৃপক্ষ হিসেবে খাদ্য উৎপাদন, আমদানী, প্রক্রিয়াকরণ, গুদামজাতকরণ, বিতরণ ও বিপণন প্রক্রিয়ায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য পর্যবেক্ষণ এবং পরিবীক্ষণ করণের জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী কর্তৃপক্ষ হিসেবে “বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ” ২০১৫ সালে ২ ফেব্রুয়ারী মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান কে?

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান হলেন: মো: আব্দুল কাইউম সরকারসদস্য (খাদ্যভোগ ও ভোক্তা অধিকার)

Post Related Things: চাকরির খবর, bd govt jobs, all jobs bd newspaper, চাকরির খবর ২০২৩ সরকারি, সরকারী চাকরির খবর, চাকরির খবর প্রথম আলো, চাকরির বাজার, আজকের চাকরির খবর, চাকরির ডাক, চাকরির পত্রিকা আজকের, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 2023, daily education, চাকরির খবর পত্রিকা, চাকরির খবর ২০২৩ সরকারি, চাকরির খবর ২০২৩, চাকরির খবর apk, চাকরির খবর bd jobs, চাকরির খবর.com, সাপতাহিক চাকরির খবর.com, সপ্তাহিক চাকরির খবর

বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদনপত্র লেখার নিয়ম

0
বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদনপত্র
বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদনপত্র লেখার নিয়ম

সরকারি বা বেসরকারি চাকরির বেতন বৃদ্ধির জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পত্র লেখার নিয়ম ২০২৩: বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদনপত্র।বেতন বৃদ্ধির জন্য দরখাস্ত বা বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন ফরম ২০২৩। বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন pdf । বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন পত্র। বেতন বৃদ্ধি/বাড়ানোর জন্যে কতৃপক্ষের নিকট আবেদন পত্রের চক । বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ।

বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদনপত্র

প্রতিষ্ঠানে অনেকদিন চাকরি করার পরও কারো কারো বেতন ভাগ্য তেমন ভালো হয় না। কিন্তু নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে যথাযথ কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করলে অনেক সময় সমাধান মেলে। কিন্ত হ্যাঁ নিজের অবস্থানকে ব্যাখ্যা করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে অনেক সময়ে এটার সমাধান মিলে।

আবার যদি সমাধান না হয় তবে সেটারও ব্যবস্থা কিন্ত রয়েছে। চাইলে এই চিঠিপত্র টিকে আপনি পদত্যাগপত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। প্রিয় পাঠক চলুন জেনে নেই বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন কিংবা বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদনপত্র কিভাবে লিখবেন। আবেদন পত্রের নমুনা-

আরো কিছু আবেদন পত্র দেখে নিন

  • কারণ দর্শানোর নোটিশ এর জবাব
  • প্রত্যয়নপত্র লেখার নিয়ম
  • আপোষ নামা তৈরি ও লেখার নিয়ম
  • মাতৃত্বকালীন ছুটির জন্য আবেদন লেখার নিয়ম
  • বদলীর জন্য আবেদন
  • মিউচুয়াল ট্রান্সফারের জন্য আবেদন
  • হিসাব রক্ষক কর্মকর্তা পদে নিয়োগের জন্য আবেদন।
  • চাকুরিরত অবস্থায় অধ্যয়নের অনুমতির জন্য আবেদন।
বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদনপত্র লেখার নিয়ম
বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদনপত্র লেখার নিয়ম

বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন পত্রের নমুনা

বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদনপত্র

তারিখ: ২১ জুন, ২০২১
বরাবর
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
ড্রিম প্রাইভেট লিমিটেড
চেয়ারম্যানবাড়ি, বনানী, ঢাকা-১২১৩

মাধ্যম:
অ্যাসিস্টেন্ট ডিরেক্টর
ড্রিম প্রাইভেট লিমিটেড

বিষয়: বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদনপত্র এবং অন্যান্য প্রসঙ্গ।

জনাব,
আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী মো. আমির হোসেন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ, মিডিয়া ডিপার্টমেন্ট। বিগত ৭ বছর যাবত কোম্পানি কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব এবং কর্তব্য নিষ্ঠার সাথে সঠিকভাবে পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু অত্যন্ত দু:খের সাথে জানাচ্ছি যে, গত প্রায় দু’বছর যাবত একই বেতনে কাজ করে যাচ্ছি।

বিগত কিছুদিন যাবত আমার বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে মৌখিকভাবে আমার সিনিয়র ম্যানেজমেন্টের সাথে একাধিকবার কথা হয়েছে। কিন্তু বিষয়টির কোনো সুষ্ঠু সমাধান এখনো পাইনি। অনন্যাপায় হয়ে আমাকে এই চিঠি লিখতে হলো।

আপনি নিশ্চয় অবগত আছেন, নাগরিক জীবন-যাপনের ব্যয় কিভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে তুলনায় আমার আয় বৃদ্ধি ঘটেনি, বিধায় পরিবার এবং সন্তানাদি নিয়ে হিমশিম অবস্থা। এ অবস্থায় ন্যূনতমভাবে বেঁচে থাকতে গেলেও আয় বৃদ্ধি করা ছাড়া অন্য কোনো উপায় আমার সামনে খোলা নেই। তাই আমার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে বর্তমান বেতন থেকে অন্তত আরো ৪ হাজার টাকা বৃদ্ধি করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

সেই সাথে আপনার সদয় অবগতির জন্য আরো জানাতে চাই, আমার বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি যদি অফিসের পক্ষে সম্ভবপর না হয় সেক্ষেত্রে এই চিঠিটিকে আমার পদত্যাগপত্র হিসেবে বিবেচনা করে আগামী ১ আগস্ট, ২০২১ থেকে আমাকে ছাড়পত্র দেবার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

নিবেদক

(মো. আমির হোসেন)
সিনিয়র এক্সিকিউটিভ, মিডিয়া
ড্রিম প্রাইভেট লিমিটেড

বেতন বৃদ্ধির আবেদনপত্র – ১

মানব সম্পদ বিভাগ।

সমগ্র বাংলা গ্রুফ বিডি লিমিটেড।
কর্ণফুলী ইপিজেড, পতেঙ্গা, চট্রগ্রাম।

মাধ্যম: যথাযথ কর্তৃপক্ষ।

বিষয়: মাসিক বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন

জনাব,

আমি আপনার কোম্পানিতে ১৫ বছর ধরে হিসাব রক্ষক হিসাবে কাজ করে যাচ্ছি।  বর্তমানে, আমি আমার বেতন হিসাবে প্রতি মাসে ৩৫,৫০০ টাকা পাচ্ছি।  তবে এই বেতন দিয়ে আমার বাড়ির ব্যয় পরিচালনা করতে খুব অসুবিধা হচ্ছে।  আমি ভাড়া বাসায় থাকছি, বাড়িওয়ালা তার সম্পত্তির মাসিক ভাড়াও বাড়িয়েছে।  আমার বাচ্চারাও মেডিকেলে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে।  তাদের পড়াশোনা ব্যয় বহন করতে আমিও সমস্যায় পড়ছি।

জ্বালানি ও প্রতিদিনের ব্যবহার্য পণ্যের দামও বাড়ছে।  ইউটিলিটি বিলগুলি প্রদানের বিষয়টি অন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠছে। 

সুতরাং এইরকম পরিস্থিতিতে আমার পক্ষে আমার গৃহস্থালীর কাজ পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।  সেজন্য আপনার সম্মানের জন্য আমি অনুরোধ করছি যে, আমার মাসিক বেতন যথাসম্ভব বাড়ানো উচিত।  অন্যথায়, আমার পক্ষে এই বেতনে  বেঁচে থাকা খুব কঠিন হবে।

অতএব, মহোদয়ের সমীপে আমার আবেদন এই যে, উপরোক্ত বিষয়াদির গুরুত্ব সুবিবেচনা করতঃ দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নিবেন।

 আপনার বিশ্বস্ত

মজনু আলম

হিসাব রক্ষক

সমগ্র বাংলা গ্রুফ বিডি লিমিটেড

বেতন বৃদ্ধির আবেদনপত্র – ২

বরাবর,
মহাব্যবস্থাপক,
এসকেএস এলপিজি
মোংলা, বাগেরহাট

বিষয় ঃ বেতন বৃদ্ধির জন্য আবেদন।

জনাব,
যথা বিহিত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোঃ আব্দুল জলিজ সরদার সিলিন্ডার হ্যান্ডলিং অপারেটর (লোডার) হিসাবে গত এক বৎসর যাবত অত্র প্ল্যান্টে কাজ করে আসছি। চাকুরীতে যোগদান কালিন সময়ে আমার মূল বেতন ৪,৭২৫/- টাকা সর্ব সাকুল্যে ১০,০০০/- টাকা ধার্য করে কর্তৃপক্ষ নিয়োগ প্রদান করেন। বর্তমানে আমি ফিলিং সেকশনে যে কোন পয়েন্টে কাজ করতে সক্ষম। বাজারে দ্রব্য মূল্যের উর্দ্ধগতির কারণে এই সামান্য বেতন দ্বারা সংসারের ব্যয় ভার বহন করে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন যাপন করা খুবই কষ্টদায়ক। এমতাবস্থায় মানবিক দিক বিবেচনা করে আমার বেতন বৃদ্ধি করার জন্য সবিনয় আবেদন করছি।
অতএব ভবদীয় হুজুর সমীপে সানুনয় প্রার্থনা যে, দয়া করে আমার বেতন বৃদ্ধি করার পক্ষে হুজুরের মর্জি কামনা করছি।

তারিখ ঃ………………… ইং। বিনীত নিবেদক,

আব্দুল জলিজ
এস, কে, এস, এলপিজি

Bajaj Pulsar N160: Bajaj Pulsar 160cc price in bangladesh 2023

0
Bajaj Pulsar N160
Bajaj Pulsar N160

Bajaj Pulsar N160: New Bajaj Pulsar 160 cc new motorcycle has started selling in the Bangladesh market. The Bajaj Pulsar N160 is priced at Rs 1,22,854 for the single-channel ABS variant and Rs 1,29,645 for the dual-channel variant (both ex-showroom Delhi).

Find out about the price and features of this new Bajaj model in this post. It is Bangladesh’s first 160cc motorcycle with dual-channel ABS.

There are also LED projector headlamps and underbelly exhaust, a first in the 160cc segment of motorcycles in the country. Its 37mm front suspension and 300mm disc brakes are also the best in this segment.

When you hear the name of a sports bike in the country, the first thing that comes to mind is Pulsar. For over two decades, Pulsar has meant power to bike lovers.

Bajaj Pulsar 160cc price in bangladesh

Bajaj Pulsar N160 is powered by 164.82 cc engine. This Pulsar N160 engine generates a power of 16 PS @ 8750 rpm and a torque of 14.65 Nm @ 6750 rpm.

Pulsar now works with Power to encourage everyone to ride with control and precision. Keeping this in mind, Bajaj Pulsar has brought the Pulsar N160.

The twin-channel ABS feature works to prevent the wheels from locking or sticking or skidding on any road. The front suspension with 37 mm telescopic front forks helps accelerate and stop superbly.

Bajaj Pulsar N160 Price in Bangladesh 2023

Bajaj Pulsar N160 Bike Price in BD 2023. Which Engine Type is Single cylinder, 4 stroke, SOHC, 2 valve, Oil cooled, FI. This bike is powered by the 164.82 cc Engine. Bajaj Pulsar N160 Generates Maximum Power 16 PS @ 8750 rpm.

Its Maximum Torque is 14.65 Nm @ 6750 rpm. Transmission duties are taken care of by a 5 Speed Gearbox. Bajaj claims that the bike offers a mileage of 50.00 Kmpl (approx).

Bajaj Pulsar N160 Front Suspension is Telescopic and Rear Suspension is Monoshock. Bajaj Pulsar N160 BD Price is BDT: 2,60,000. Find Here to find Bajaj Motorcycle Showrooms in Bangladesh.

Bajaj Pulsar 160cc

The Pulsar N160’s new DTS technology engine, a patented first in the category, delivers 16 PS (11.7 KW) of power and 14.65 Nm of torque and delivers new power to the driver.

The new Pulsar N160 looks so attractive that everyone will look back. Just as its contrasting interplay of two metallic hues gives it a premium look, its Infinity Display gives the bike a hi-tech look. A USB charging point is located near the tank flap to make modern life easier.

This bike has a length of 1,989 mm, width 743 mm, and height is 1050 mm. The bike will have an oil holding capacity is 14 liters and a reserve is about 2.5 liters. The Perimeter Frame type has a chassis. The suspension front is Telescopic with Anti-friction Bush and the rear is a Nitrox mono shock absorber with a Canister.

Bajaj Pulsar N160
Bajaj Pulsar N160

Bajaj Pulsar 160 cc price in bd

Bajaj Pulsar N160 Price
Bajaj Pulsar N160 Price

The price of the Bajaj Pulsar N160 motorcycle is Tk 2 lakh 60 thousand. Buying the new Pulsar N160 comes with a two-year warranty and four free servicing opportunities. Bajaj pulsar n160 (Brooklyn Black Color) is available across all Uttara Motors Limited dealer points. It can be purchased at cash price as well as in easy installments.

Bajaj Pulsar N160 Specifications Bike Information

ENGINE
TypeSingle cylinder, 4 strokes, SOHC, 2 valve, Oil cooled, FI
Displacement164.82 cc
Max Power11.7 kW (16 PS) @ 8750 rpm
Max Torque14.65 Nm @ 6750 rpm
TransmissionConstant-mesh 5 speed
TYRES
Front100/80-17 Tubeless
Rear130/70-17 Tubeless
SUSPENSION
FrontPulsar N160 Dual Channel ABSTelescopic, 37 mmPulsar N160 Single Channel ABSTelescopic, 31 mm
RearMonoshock with Nitrox
BRAKES

(*Dual Channel ABS variant only in Brooklyn Black color)

FrontPulsar N160 Dual Channel ABS300 mm, DiscPulsar N160 Single Channel ABS280 mm, Disc
Rear230 mm Disc
ABS SystemPulsar N160 Dual Channel ABSDual Channel ABSPulsar N160 Single Channel ABSSingle Channel ABS
DIMENSIONS
Wheelbase1358 mm
Seat height – rider795 mm
Ground clearance165 mm
Kerb weight(Pulsar N160 Dual Channel ABS) 154 kg(Pulsar N160 Single Channel ABS) 152 kg
Fuel tank capacity14 L
ELECTRICALS
Console featuresGear indicator, Clock, Fuel economy, and Range indicator
HeadlampBi-functional LED projector headlamp with LED DRLs
Tail lampLED Tail lamp with a Glitter pattern
Mobile ChargerUSB connectivity
Bajaj Pulsar N160
Bajaj Pulsar N160

Pulsar N160 Prices In India

Near By CityPrice
SahibabadRs. 1.51 Lakh
NoidaRs. 1.51 Lakh
GhaziabadRs. 1.51 Lakh
GurgaonRs. 1.52 Lakh
FaridabadRs. 1.53 Lakh
BahadurgarhRs. 1.49 Lakh
BallabhgarhRs. 1.49 Lakh
Greater NoidaRs. 1.53 Lakh
PalwalRs. 1.49 Lakh
BarautRs. 1.51 Lakh
Popular CityPrice
DelhiRs. 1.56 Lakh
MumbaiRs. 1.54 Lakh
KolkataRs. 1.57 Lakh
JaipurRs. 1.74 Lakh
NoidaRs. 1.51 Lakh
PuneRs. 1.59 Lakh
HyderabadRs. 1.55 Lakh
ChennaiRs. 1.51 Lakh
BangaloreRs. 1.75 Lakh
GurgaonRs. 1.52 Lakh

bajaj pulsar n160 price in bangladesh

Model:Bajaj Pulsar N160
Price in Bangladesh:2,60,000 Tk
Colors:Brooklyn Black, Techno Grey, Caribbean Blue & Racing Red
Displacement:164.82 cc
Total Gear:5-Speed Manual Gear
Max Power:15.68 BHP (16 PS) @ 8750 RPM
Max Torque:14.65 NM @ 6750 RPM
Mileage:50 KM/L

Bajaj Pulsar N160 Video

Bajaj Pulsar N160 With Dual Channel ABS First Impression Review || Team BikeBD || In this Video you can find out the full specifications and details about all new Bajaj Pulsar N160. Recently Uttara Motors has launched this bike in Bangladesh.

bikebd,bike review in bangla,motorcycle in bangladesh,motorcycle price in bangladesh,bike price in bangladesh,bajaj pulsar n160 price in bangladesh,pulsar n160 review,pulsar n160,pulsar n160 price,

bajaj pulsar n160 review,bajaj pulsar n160 fi dual abs in bangladesh 2023,bajaj pulsar n160 fi dual abs,pulsar new model,pulsar n160 price in bangladesh,bajaj pulsar n160 mileage,pulsar n160 sound,pulsar new version,bajaj pulsar n160 dual abs price in bangladesh

bajaj pulsar n160 price in bangladesh

bajaj pulsar n160 on road price

bajaj pulsar n160 mileage

bajaj pulsar n160 bd

pulsar ns160

bajaj pulsar n250

bajaj pulsar n160 price bikebd

bajaj pulsar n160 price bikedekho

bajaj pulsar n160 price bikewale

bajaj pulsar n160 price bajaj auto

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩ (৮ মার্চ)

0
৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩
৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩

আন্তর্জাতিক নারী দিবস: বিশ্ব নারী দিবস ২০২৩ নারী অধিকার রক্ষায় বিশ্বব্যাপী সমতাভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে প্রতিবছর এই দিনে দিবসটি পালন করা হয়। জাতিসংঘ ২০২২ সালের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে নারীর সুস্বাস্থ্য ও জাগরণ এর জন্য ।

জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ভাবে নারী দিবস ৮ মার্চ পালন করা হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিনটি নানান আনুষ্ঠানিকতায় উদযাপিত হয়। নারীর অধিকার রক্ষায় বিশ্বব্যাপী সমতাভিত্তিক সমাজ রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে প্রতি বছর এই দিনে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩

জাতিসংঘ ২০২২ সালের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে “নারীর সুস্বাস্থ্য ও জাগরণ”। এই মূল প্রতিপাদ্যের আলোকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে- “টেকসই আগামীর জন্য, জেন্ডার সমতাই আজ অগ্রগণ্য”।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস কবে পালন করা ৮ মার্চ । বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিনটি নানান আনুষ্ঠানিকতায় উদযাপিত হয়। ১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নিউ ইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশ জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা স্কিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হয়।

এই সম্মেলনে ফ্লোরা প্রতিবছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পূর্বে থেকেই এই দিবসটি পালিত হতে শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩ উপলক্ষে বাংলাদেশেও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সারাদেশে শোভাযাত্রা, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে দিবসটি উদযাপন হয় বাংলাদেশে।

আরো পড়ুন- জমি রেজিস্ট্রেশন ফি ২০২৩

আন্তর্জাতিক নারী দিবস কেন পালন করা হয়?

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩ বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন অঞ্চলে নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা, তাঁদের কাজের প্রশংসা এবং ভালোবাসা প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে মহিলাদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সাফল্য অর্জনের উৎসব হিসেবেই পালন করা হয়। নারী অধিকার রক্ষায় বিশ্বব্যাপী সমতাভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে প্রতিবছর এই দিনে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

১৯৭৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সদস্য রাষ্ট্রদের নারী অধিকার ও বিশ্ব শান্তি রক্ষার জন্য জাতিসংঘ দিবস হিসাবে ৮ মার্চকে ঘোষণা করার আহ্বান জানায়। বিশ্বজুড়ে লিঙ্গ সাম্যের উদ্দেশ্যে কাজের জন্য এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়।

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩ এর স্লোগান হলো ‘করোনাকালে নারী নেতৃত্ব, গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’। চলতি ২০২২ সালের জন্য জাতিসংঘ এই দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘আজকের সমতায় টেকসই আগামী’ (Gender equality today for a sustainable tomorrow)। এ বছর দিবসটির স্লোগান ‘নারীর সুস্বাস্থ্য ও জাগরণ’।

নারীর কাজের অধিকার, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং কাজের বৈষম্যের অবসানের জন্য প্রতিবাদ করেন লক্ষ মানুষ। একই সঙ্গে রাশিয়ান মহিলারাও প্রথমবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘রুটি ও শান্তি’র দাবিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিরোধিতা করেন। ইউরোপের নারীরা ৮ মার্চ শান্তি বিষয়ক কার্যক্রমকে সমর্থন করে বিশাল মিছিলে নামেন। ১৯১৩-১৯১৪ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবস প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রতিবাদ জানানোর একটি প্রক্রিয়া হয়ে ওঠে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস এর ইতিহাস

প্রথম ১৯০৯ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হয়। ওই বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম আমেরিকায় নারী দিবস (National Woman’s Day) উদযাপন করা হয়েছিল। সোশ্যালিস্ট পার্টি অফ আমেরিকা নিউ ইয়র্কে ১৯০৮ সালে বস্ত্রশ্রমিকরা তাঁদের কাজের সম্মান আদায়ের লক্ষ্যে ধর্মঘট শুরু করেন।

নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী কাজ আর সমমানের বেতনের দাবিতে চলে হরতাল। ১৯১০ সালে কোপেনহেগেনের উদ্যোগের পর, ১৯ মার্চ অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, জার্মানি এবং সুইৎজারল্যান্ডে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক নারী দিবস চিহ্নিত হয়েছিল।

নারী অধিকার রক্ষায় বিশ্বব্যাপি সমতাভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে প্রতিবছর এই দিনে দিবসটি উদযাপন করা হয়। জাতিসংঘ ২০২২ সালের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে “নারীর সুস্বাস্থ্য ও জাগরণ”। এই মূল প্রতিপাদ্যেও আলোকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে- “টেকসই আগামীর জন্য, জেন্ডার সমতাই আজ অগ্রগণ্য”।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস-বাংলাদেশ 

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৯(৩) অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। নারীদের যথার্থ মর্যাদা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অর্থনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকার নারী শিক্ষার বিস্তার, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়নসহ নারীর প্রতি সকল ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩ উপলক্ষে, রাষ্ট্রপতি দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে সহযাত্রী হিসেবে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার আশা একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বিশ্ব গড়ার কাজে পুরুষের মতো সমান অবদান রাখার প্রত্যয় নিয়ে নারীর এগিয়ে চলা  আগামীতে আরো বেগবান হবে।

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩ উপলক্ষে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে পৃথক এক বাণীতে বিশ্বের সকল নারীর প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, নারী তার মেধা ও শ্রম দিয়ে যুগে যুগে সভ্যতার সকল অগ্রগতি এবং উন্নয়নে সমঅংশীদারিত্ব নিশ্চিত করেছে। সারাবিশ্বে তাই আজ বদলে গেছে নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি।

নারীর কাজের মূল্যায়ন হচ্ছে, বৃদ্ধি পাচ্ছে স্বীকৃতি। তিনি বলেন, এদেশের নারী-পরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যেমন আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি, তেমনিভাবে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলাও সম্ভব হবে। 

আন্তর্জাতিক নারী দিবস প্রশ্ন-উত্তর

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য কী?

এই দিবসটি উদ্‌যাপনের পেছনে রয়েছে নারী শ্রমিকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস। ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে মজুরিবৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকেরা। সেই মিছিলে চলে সরকার লেঠেল বাহিনীর দমন-পীড়ন।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

 ১৯১০ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ জন নারী প্রতিনিধি এতে যোগ দিয়েছিলেন। এ সম্মেলনে ক্লারা প্রতি বৎসর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। সিদ্ধান্ত হয়ঃ ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ থেকে নারীদের সম-অধিকার দিবস হিসেবে দিনটি পালিত হবে। দিবসটি পালনে এগিয়ে আসে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রীরা। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে লাগল।

নারী দিবসের স্লোগান ২০২২?

চলতি ২০২২ সালের জন্য জাতিসংঘ এই দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘আজকের সমতায় টেকসই আগামী’ । ২০২২ সালে নারী দিবসের  ‘নারীর সুস্বাস্থ্য ও জাগরণ‘।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস কত তারিখ?

৮ মার্চ হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস । ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে লাগল।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস কখন স্বীকৃতি পায়?

 ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। দিবসটি পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে সারা পৃথিবী জুড়েই পালিত হচ্ছে দিনটি নারীর সমঅধিকার আদায়ের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করার অভীপ্সা নিয়ে। সারা বিশ্বের সকল দেশে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস।
আধুনিক সংস্কৃতি

nari dibos
nari dibos

আন্তর্জাতিক নারী দিবস রচনা

ভূমিকা:

কোনো কালে একা হয়নিকো জয়ী পুরুষের তরবারী,
প্রেরণা দিয়েছে, শক্তি দিয়েছে, বিজয়ী লক্ষ্মী নারী।

কবি নজরুল ইসলামপৃথিবীর মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। এই নারীর অবদান পুরুষ কখনই অস্বীকার করতে পারবে না। পুরুষের প্রতিটি সৃষ্টিকর্মের মধ্যে রয়েছে নারীর ভূমিকা। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের উপরিউক্ত বিখ্যাত চরণদুটি আমাদেরকে একথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। অথচ যুগ যুগ ধরে নারীর এই অবদানকে অবদমিত করে রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস নারী সমাজের মুক্তির একটি পদক্ষেপ মাত্র

আন্তর্জাতিক নারী দিবস: প্রতি বছর ৮ মার্চ সারাবিশ্বে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়। দিবসটির পূর্ব নাম ছিল ‘আন্তর্জাতিক কর্মজীবী নারী দিবস’। বিশ্বব্যাপী এই দিবস পালনের কেন্দ্রীয় বিষয় নারী। কিন্তু আঞ্চলিক ভিত্তিতে দিবসটি পালনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ভিন্ন রকম হয়।

কোথাও নারীর প্রতি সাধারণ সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ প্রাধান্য পায়, আবার কোথাও নারীর আর্থিক, সামাজিক, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠা বেশি গুরুত্ব পায়। কোথাও বা নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার বিষয়টিকে মুখ্য হিসেবে রেখে দিবসটি উদযাপিত হয়।

নারী দিবসের ইতিহাস: ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ নারীদের জন্য একটি স্মরণীয় দিন। এ দিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের একটি সূচ তৈরি করখানার নারী শ্রমিকেরা আন্দোলন শুরু করেন। কারখানার মানবেতর পরিবেশ, ১২ ঘণ্টার কর্মসময়, অপর্যাপ্ত বেতন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের বিরুদ্ধে তাদের এক প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। কিন্তু পুলিশ এই শান্তিপূর্ণ মিছিলে মহিলা শ্রমিকদের উপর নির্যাতন চালায়। বহু শ্রমিককে আটক করা হয়। এই ঘটনার স্মরণে ১৮৬০ সালের ৮ মার্চ মহিলা শ্রমিক ইউনিয়ন গঠন করে নিউইয়র্ক সূচ শ্রমিকেরা।

এভাবেই সংঘবদ্ধ হতে থাকে মহিলা শ্রমিকদের আন্দোলন। এক সময় তা কারখানা ও ইউনিয়নের গন্ডি অতিক্রম করে। ১৯০৮ সালে জার্মান সমাজতন্ত্রী নারী নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে প্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় জার্মানিতে।

এই সম্মেলনে নারীদের ন্যায্য মজুরী, কর্মঘণ্টা এবং ভোটাধিকারের দাবী উত্থাপিত হয়। ১৯১০ সালের ২য় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ডেনমার্কের কোপেনহেগেন-এ। এতে ১৭টি দেশের প্রতিনিধিরা যোগ দেয়। এ সম্মেলনেই ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ১৯১১ সালে প্রথম ৮ মার্চ দিবসটি পালিত হয়।

১৯১৪ সাল থেকে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলিতে দিবসটি বেশ গুরুত্বের সাথে পালিত হতে থাকে। ১৯৭৫ সাল থেকে জাতিসংঘ দিবসটি পালন করতে থাকে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দিবসটি পালনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয় ১৯৭৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর। এ সময় জাতিসংঘ দিবসটির গুরুত্ব উপলব্ধি করে জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে দিবসটি পালনের আহবান জানায়।

এর ফলে অধিকার বঞ্চিত নারী সমাজের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির পথ সুগম হয়। নারীর অধিকার রক্ষা ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এটি এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

নারীর বর্তমান অবস্থা

বর্তমান যুগকে বলা হয় গণতান্ত্রিক যুগ, সমতার যুগ। কিন্তু এ সময়েও নারীরা বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। নারীরা এখন কাজের জন্য ঘরের বাইরে যাচ্ছে। জ্ঞান-বিজ্ঞান শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গবেষণা, শিল্প-সাহিত্য ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই নারীর পদচারণা লক্ষণীয়। কিন্তু তারপরও নারীরা এখনও বিভিন্নভাবে নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।

পরিবারের মধ্যে আপনজন কর্তৃক নারীর নির্যাতিত হওয়া ঠেকানো যাচ্ছে না। কর্মস্থল, পরিবহন ও যাতায়াত ব্যবস্থায়, পথেঘাটে নারীরা বিভিন্নভাবে ইভ টিজিং এবং যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে। নারী দিবস উদযাপন করে এসব অবস্থার উন্নতি করা না গেলেও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নারী নির্যাতন অনেক হ্রাস পেয়েছে।

নারীর নিরাপদ কর্ম পরিবেশ, কর্মঘণ্টা, মজুরি ইত্যাদি বিষয় নিশ্চিত করা গেছে অনেক ক্ষেত্রেই। সারাবিশ্বে নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে এই দিবসটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। নির্যাতন প্রতিরোধ এবং নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নারী উন্নয়ন সম্ভব। কিন্তু বিভিন্ন দেশে এ ক্ষেত্রে এখনও বহু বাধা রয়েছে। এই বাধাগুলির মধ্যে প্রধান হলো-

  • নারী উন্নয়নের প্রথম এবং প্রধান বাধা হলো পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীকে সব সময় পুরুষের অধীন এবং ছোট করে দেখা হয়।
  • সামাজিক কুসংস্কার নারীর অগ্রগতিকে মেনে নিতে পারে না। এটিও নারী উন্নয়নের পথে এক বড় অন্তরায়।
  • নারী যদি শিক্ষার আলোয় আলোকিত না হয় তবে সে সচেতন হয় না। তার আয় বাড়ে না। ফলে সে অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়। এরূপ অবস্থা নারীকে দুর্বল করে দেয়।
  • নারীর ক্ষমতায়ন না থাকা।
  • নারীর কাজের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকা।
  • কৃষিভিত্তিক সমাজ।

নারী উন্নয়নে করণীয়

নারী উন্নয়ন বলতে নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং কাজের যথাযথ মূল্যায়নকে বুঝানো হয়। নারী উন্নয়নে সমাজ ও রাষ্ট্রকে একসাথে কাজ করতে হবে। এজন্য করণীয় হলো-

  • – নারীর প্রধান শক্তি হলো শিক্ষা। নারীশিক্ষার বিস্তার ঘটলে নারীর কর্মসংস্থান হবে, আয় বাড়বে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে। তাই নারী উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিৎ নারী শিক্ষা বিস্তার।
  • – নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নারীর উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব।
  • – নারী-পুরুষের বিদ্যমান বৈষম্য দূর করা।
  • – নারীর নিরাপদ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
  • – রাজনৈতিকভাবে নারীর ক্ষমতায়ন করা।
  • – নারী স্বার্থের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।
  • – নারীর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহায়ক সেবা প্রদান করা ইত্যাদি।

দিবসটির তাৎপর্য: বিশ্বজুড়ে নারীর অধিকার ও নারীদের অগ্রাধিকার একটি বহুল আলোচিত বিষয়। আন্তর্জাতিক নারী দিবস ছিল নারীদের অধিকার, বিশেষত কর্মজীবী নারীদের অধিকার আদায়ের প্রথম প্রচেষ্টা। এর সূত্র ধরে নারীদের প্রতি বৈষম্য দূরীকরণে সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন গোষ্ঠীর। জাতিসংঘের মাধ্যমে সাক্ষরিত হয়েছে বিভিন্ন চুক্তি ও সনদ। নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এসব চুক্তি ও সনদ কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছে। অনেক ক্ষেত্রে নারীর সুরক্ষায় এসব চুক্তি-সনদ আইনে পরিণত হয়েছে। বাধ্য করেছে মালিকপক্ষ এবং সরকারকে নারীদের দাবী মেনে নিতে। তাই সমালোচনা থাকলেও আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য অপরিসীম।

উপসংহার: আন্তর্জাতিক নারী দিবস নারীর অধিকার আদায়ের আন্দোলনের এক স্মারক দিবস। নারীর প্রতি অবিচার ও বৈষম্যের প্রতিবাদে এক বলিষ্ট পদক্ষেপ ছিল এই দিনটির আন্দোলন। যদি বর্তমানে আমরা নারীর ন্যায্য অধিকার ও চাহিদা পূরণ করতে পারি, তবেই দিবসটির উদযাপন সার্থক হবে।

কারণ দর্শানোর নোটিশ কি? কিভাবে সরকারি কারণ দর্শানো নোটিশ এর জবাব দিবেন?

0
কারণ দর্শানোর নোটিশ

কারণ দর্শানোর নোটিশ: কারণ দর্শানোর আদেশ হল এমন এক ধরনের আদালতের আদেশ যার জন্য একটি মামলার এক বা একাধিক পক্ষকে ন্যায্যতা, ব্যাখ্যা বা আদালতে কিছু প্রমাণ করার প্রয়োজন হয়। শোকজ নোর্টিশ বা কারন দর্শানোর নোটিশ কি ও কারণ দর্শানোর নোটিশ লেখার নিয়ম এবং সরকারি/বেসরকারি কারণ দর্শানো নোটিশ এর জবাব কিভবে দিবেন এর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে ।

সরকারি/বেসরকারি কারণ দর্শানো নোটিশ: বিভিন্ন কারণে অফিসের বস হাতে ধরিয়ে দিতে পারেন শোকজ লেটার (Show cause notice/letter) বা (karon dorshanor notice) কারণ দর্শানোর নোটিশ

শাসন ও এইচআর বিভাগে যারা জব করে তাদের নিকট কারণ দর্শানো নোটিশ খুবই গুরুত্ব বহনকরে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অনিয়ম, অপরাধচুরি, কাজের ফাঁকি ইত্যাদি বিষয়ের জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হয় ।

এতে সন্তুষ্টি মুলক জবাব দিতে না পারলে, কর্তৃপক্ষ নিতে পারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কারণ দর্শানো নোটিশের মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করতে হয় ।

কারণ দর্শানোর নোটিশ কি?

কোন শ্রমিক/কর্মচারী যদি নিয়মনীতি ভঙ্গ করেন, অবহেলা বা বিমুখ করলে বা জেনে শুনে স্বজ্ঞানে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ বিরোধী কাজ করলে বা দাপ্তরিক কাজের নির্দেশ অমান্য করলে, শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে বা অসদাচরনের দোষে দুষ্ট হলে বা নৈতিকতা বিরোধী কাজের দোষে দোষী সাব্যস্ত হলে কারণ দর্শানো নোটিশের মাধ্যমে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা হয় ।

কারণ দর্শানো নোটিশের নমুনা

সুপার ভাইজার- নাইট ডিউটির roster এর সাথে খারাপ আচরন এর জন্য ।

বরাবর
ব্যবস্থাপক মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগ
বিষয় –কারণ দর্শনোর জবাব প্রসঙ্গে।
জনাব,
সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার সুনামধন্য তৈরি পোশাক শিল্পকারখানায় সততা ও ন্যায় নিষ্টার সহিত দীর্ঘ দিন যাবত কাজ করে আসিতেছি । এমতাবস্থায় গত ৩০/০১/২০১৯ ইং তারিখে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনায়ন করা হয়। যাহাতে উল্লেখ্য করা হয়, সেকশনের করমকরতাগনদের অমান্য করা সহ , pg–266 প্রিন্টের পার্টে স্যম্পল দিতে না পারাটা ইচ্ছে কৃতভাবে বা চরম অবহেলা ও অমনোযোগের কারণ।
আসলে গত ৩০–০১–১৯ ইং সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে আমি pg–266 প্রিন্টের পার্টটা হাতে পাই এবং সাথে সাথে লিখিত এবং মৌখিক ভাবে আমার সেকশন প্রধান কে জানাই। pg 266 গারমেন্টসের প্রধান ফেব্রিকস না থাকায় তিনি আমার কাছে রেখে দিতে বলেন। ওই দিনে আনুমানিক দুপুর ১২ টার দিকে আমি pg 266 মেইন (প্রধান) ফেব্রিকস হাতে পাই এবং সাথে সাথে সুইং করার জন্য দায়িত্বরত অফিসার কে প্রিন্টের পার্টটি দিয়ে দেই । তখন তিনি মেইন (প্রধান) ফেব্রিকস কালারের সাথে প্রিন্ট কালার মিলিয়ে দেখতে পান কালারের মিল নাই এবং Artwork অনুযায়ী প্রিন্টের নিচে একটা লগো নেই।
এই ইসু ধরে সেকশন প্রধান আমাকে অনেক গালাগালি করেন এবং ৩ দিন কাজ না দিয়ে বসিয়ে রাখেন। আমি আমার সেকশন প্রধানের কাছে ক্ষমা চেয়েছি , যদি আমার কোন অন্যায় হয়ে থাকে বা আমি যদি কোন ভুল করে থাকি আমাকে মাফ করে দেন এবং দয়া করে পূর্বের নিয়ম আনুযায়ী কাজ করতে দেন। তার পরও আমি ক্ষমা পাইনি।এদিকে আমাকে ৩ দিন কাজে না দিয়ে বসিয়ে রাখায় আমি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি ও নিজেকে অপরাধ বোধ করি। আসলে সেকশনের করমকরতাগনদের অমান্য করা বিষয়টি ভিত্তিহীন সাজানো। আমি মনে করি আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ ইচ্ছাকৃত এবং পরিকল্পিত, এই অভিযোগের বাহিরে অন্য কোন ইসু থাকতে পারে।

অতএব, জনাবের নিকট আমার আকুল আবেদন। উপরক্ত বিষয়বলি সুবিবেচনা করে আমার যদি কোন ভুল হয়ে থাকে আমাকে ক্ষমা দৃষটিতে দেখবেন। এবং আগের সিডিউল অনুযায়ী কাজ করার ও সুন্দর পরিবেশ দিয়ে আমাকে মানসিক স্বস্তিতে সুযোগর কামনা করছি।

কারণ দর্শানোর নোটিশ লেখার নিয়ম

প্রেরকঃ ব্যবস্থাপক, বঙ্গ বাজার , ঢাকা।

প্রাপকঃ কালা মানিক, সহকারী হিসাব রক্ষক।

বিষয়: বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ ও বিলম্বে আগমনের কারণ দর্শানো প্রসঙ্গে।

এতদ্বারা আপনার অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে,  বিগত ২২/০৭/২০১৮ খ্রিঃ তারিখে নিম্ন স্বাক্ষরকারীর বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত এবং ০১/০৭/২০১৮ খ্রি. হইতে ০৭/০৭/২০১৮ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত কর্মস্থলে  বিলম্বে আগমন করেন যাহা চাকুরী বিধির পরিপন্থী। এমতাবস্থায় আপনার বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহন করা হইবে না, নোটিশ পাওয়ার ০৭(সাত) কার্য  দিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করা হইল। অন্যথায় আপনার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।

ব্যবস্থাপক

(আল হুসাইন)

আরো পড়ুন : লটারি রেজাল্ট

কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব লেখার নিয়ম

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ- কারণ দর্শানো নোটিশ নমুনা

  • প্রেরকঃ ব্যবস্থাপক, বঙ্গ বাজার , ঢাকা।
  • প্রাপকঃ কালা মানিক, সহকারী হিসাব রক্ষক।
  • বিষয়: বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ ও বিলম্বে আগমনের কারণ দর্শানো প্রসঙ্গে।

এতদ্বারা আপনার অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে,  বিগত ২২/০৭/২০১৮ খ্রিঃ তারিখে নিম্ন স্বাক্ষরকারীর বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত এবং ০১/০৭/২০১৮ খ্রি. হইতে ০৭/০৭/২০১৮ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত কর্মস্থলে  বিলম্বে আগমন করেন যাহা চাকুরী বিধির পরিপন্থী। এমতাবস্থায় আপনার বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহন করা হইবে না, নোটিশ পাওয়ার ০৭(সাত) কার্য  দিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করা হইল। অন্যথায় আপনার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।

ব্যবস্থাপক

(আল হুসাইন)


আপনার কারণ দর্শানো নোটিশের জবাবে নীচের বিষয়গুলি অবশ্যই থাকবে

  • আপনার সমস্যার স্পষ্ট বিবরণ দিন।
  • আপনার অনুরোধ নির্দিষ্ট এবং স্পষ্ট করে বলুন। আপনি কী চান স্পষ্ট জানান।
  • পরবর্তী পদক্ষেপ কি ভাবে নিচ্ছেন তা স্পষ্ট জানান।
karon dorshanor notice

কারণ দর্শানোর নোটিশ এর উত্তর

মাননীয় ব্যবস্থাপক, বঙ্গ বাজার , ঢাকা। ০৯।০৯।২০১৮ খ্রিঃ

বিষয় : কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব প্রসঙ্গে ।

জনাব,

যথা বিহীত সম্মান পূর্বক কর্তৃপক্ষের অবগতির জন্য আমি এই মর্মে প্রত্যয়ন করিতেছি যে গত পহেলা জুলাই ২০১৮ খ্রিঃ তারিখ থেকে ০৭ই জুলাই ২০১৮ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের নিয়ম মেনে উপস্থিত ছিলাম। উল্লেখ্য করা প্রয়োজন যে , হাজিরা খাতা রেকর্ড অনুযায়ী- ১লা জুলাই অফিসে আগমন করি ৯:৪৫ মিনিটে, ২রা জুলাই অফিসে আগমন করি ৯:৪৫ মিনিটে,৩রা জুলাই অফিসে আগমন করি ৯:৩০ মিনিটে, ৪ঠা জুলাই অফিসে গমন করি ৯:৪৫ মিনিটে, ৫ই জুলাই Casual Leave নেই, ৬ই জুলাই ছিল সপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার, ৭ই জুলাই অফিসে গমন করি ৯:০০ টায়। আর এদিকে প্রস্থানটা অবশ্যই দায়িত্বরত কর্তৃপক্ষের অবগত পূর্বকই হয়েছে। কিন্তু কারণ দর্শানো নোটিশ (সুত্র নং-শামকামা ২০১৮/১৭৫) মোতাবেক আমি উক্ত কার্য দিবস গুলোতে অনিয়মিত ছিলাম। অন্যদিকে ২২ শে জুলাই ২০১৮ ‍খিৃ. তারিখে আমি মানসিক অক্ষমতা জনিত কারণে উক্ত কার্য দিবসে অনুপস্থিত ছিলাম। ঐ দিনে আমি এমনটাই Emotional Illness ছিলাম যে পূর্বে  অবহিত করণের কোনো সুযোগই সৃষ্টি হয়নি।

তবে এর দ্বারা আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে বলে আমি মনে করি না। কারণ অত্র অফিসের কার্য  দিবস শুরু হয় ৯:৪০ মিনিটে । তবে এই সর্তকতাকে সাধুবাদ জানাই।

যাই হোক যে যাদের দায়িত্বে অধিষ্ঠিত তাকে, তাদের সম্পর্কে জবাবদিহি করাটাও কিন্তু পার্থিব নিয়মে গড়ে ওঠা সমাজ ব্যবস্থারও অংশ। বাস্তবে জবাবদিহির কতটুকু বলবৎ রয়েছে সে কথা ভিন্ন। ইসলাম কিন্তু অত্যন্ত সচেতনতার সঙ্গে এ জবাবদিহির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে। আখেরাতে অনিবার্য জবাবদিহিতাকে কোনো নির্বোধ যদি উপেক্ষা ও করে – সমাজ, ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতাকে মনে প্রাণে লালন করে, তাহলেও যে কোনো অনিয়ম করতে তার পিছপা হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে এক্ষেত্রে প্রশাসনের পক্ষে টপ টু বটম সবার জন্য জবাবদিহিতা মূলক বিধি ব্যবস্থায় প্রচলন থাকাও বাঞ্চনীয়।

পরিশেষে আমি দ্ব্যর্থহীন ভাবে বলতে চাই প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড আমি সহ অন্য কারো দ্বারা শৃংখলার পরিপন্থি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। এমনটাই আশা।

নিবেদক

মানিক

সহকারী হিসাব রক্ষক।

আরো পড়ুন : সর্বশেষ খেলার খবর

কারণ দর্শানোর নোটিশ এর উত্তর গার্মেন্টস

গার্মেন্টস কারণ দর্শানো নোটিশ

নিম্ন বর্ণিত কাজ করা অসদাচরণ হিসাবে বিবেচিত হবে এবং কারণ দর্শানোর উত্তর দিতে হবে-

  • উপরস্থের কোন আইনসংগত বা যুক্তিসংগত আদেশ মানার ক্ষেত্রে এককভাবে বা অন্যের সঙ্গে সংঘবদ্ধ হইয়া ইচ্ছাকৃতভাবে অবাধ্যতা ।
  • মালিকের ব্যবসা বা সম্পত্তি সম্পর্কে চুরি [আত্মসাৎ] প্রতারণা বা অসাধুতা ।
  • মালিকের অধীন তাঁহার বা অন্য কোন শ্রমিকের চাকুরী সংক্রান্ত ব্যাপারে ঘুষ গ্রহণ বা প্রদান ।
  • বিনা ছুটিতে অভ্যাসগত অনুপস্থিতি অথবা ছুটি না নিয়া এক সঙ্গে দশ দিনের অধিক সময় অনুপস্থিতি ।
  • অভ্যাসগত বিলম্বে উপস্থিতি; (চ) প্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য কোন আইন, বিধি বা প্রবিধানের অভ্যাসগত লঙ্ঘন ।
  • প্রতিষ্ঠানে উচ্ছৃংখলতা, দাংগা-হাংগামা, অগ্নিসংযোগ বা ভাংচুর ।
  • কাজে-কর্মে অভ্যাসগত গাফিলতি ।
  • প্রধান পরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত চাকুরী সংক্রান্ত, শৃঙ্খলা বা আচরণসহ, যে কোন বিধির অভ্যাসগত লঙ্ঘন ।
  • মালিকের অফিসিয়াল রেকর্ডের রদবদল, জালকরণ ।

কারণ দর্শানোর নোটিশ কি?

কারণ দর্শানোর নোটিশ হলো- কোন শ্রমিক/কর্মচারী যদি নিয়মনীতি ভঙ্গ করেন, অবহেলা বা বিমুখ করলে বা জেনে শুনে স্বজ্ঞানে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ বিরোধী কাজ করলে বা দাপ্তরিক কাজের নির্দেশ অমান্য করলে, শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে বা অসদাচরনের দোষে দুষ্ট হলে বা নৈতিকতা বিরোধী কাজের দোষে দোষী সাব্যস্ত হলে কারণ দর্শানো নোটিশের মাধ্যমে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা হয় ।

কারণ দর্শানোর নোটিশ এর জবাব কিভাবে লিখব?

কারণ দর্শানোর নোটিশ এর জবাব কিভাবে লিখতে হয় তা উপরে দেওয়া হয়েছে ।

দর্শানো নোটিশের জবাবে কিভাবে লিখতে হয়?

আপনার কারণ দর্শানো নোটিশের জবাবে নীচের বিষয়গুলি অবশ্যই থাকবে — আপনার সমস্যার স্পষ্ট বিবরণ দিন। আপনার অনুরোধ নির্দিষ্ট এবং স্পষ্ট করে বলুন। আপনি কী চান স্পষ্ট জানান। পরবর্তী পদক্ষেপ কি ভাবে নিচ্ছেন তা স্পষ্ট জানান।

Tags: কারন দর্শানো নোটিশ, Karon dorshanor notice, sokoj meaning in bengali, autogarments, sokoj letter, কারণ দর্শানোর নোটিশ কিভাবে লিখতে হয়, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসকে কারণ দর্শানো নোটিশ, কারণ দর্শানো, কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব ,কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব লেখার নিয়ম, কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব দিবেন কিভাবে, কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব কিভাবে লিখতে হয়,

কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব কিভাবে লিখতে হয়, সরকারি কারণ দর্শানোর নোটিশ, কারণ দর্শানোর নোটিশ এর উত্তর, কারণ দর্শানোর নোটিশ এর উত্তর গার্মেন্টস, কারণ দর্শানোর নোটিশ নমুনা, কারণ দর্শানোর নোটিশ ইংরেজি, কারণ দর্শানোর নোটিশ গার্মেন্টস, কারণ দর্শানোর নোটিশ এর উত্তর গার্মেন্টস,